TMC News: ফের তুঙ্গে তৃণমূলের দুই সাংসদের পুরনো দ্বন্দ্ব!
ABP Ananda LIVE: ফের তুঙ্গে তৃণমূলের দুই সাংসদের পুরনো দ্বন্দ্ব! ফের সরাসরি সংঘাতে কল্য়াণ বন্দ্য়োপাধ্য়ায় এবং মহুয়া মৈত্র! সোমবার দিল্লির পার্টি অফিস থেকে ভার্চুয়ালি মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের সঙ্গে বৈঠকে যোগ দেন তৃণমূল সাংসদরা। সেখানে ঢোকার মুখে, মহুয়া মৈত্রকে দেখে কটাক্ষের সুর শোনা যায় কল্য়াণ বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের গলায়। তিনি বলেন, "দিনটাই আজ চলে গেল রে!" এরপর সংবাদমাধ্য়মের সামনেও, কোনও রাখঢাক না করে কল্য়াণ বন্দ্য়োপাধ্য়ায় বলেন, "দিন তো খারাপ গেছেই। আমি বলেইছিলাম দিনটা খারাপ যাবে। দিনটা খারাপ গেছেই।" লোকসভায় তৃণমূলের চিফ হুইপ পদে ইস্তফা ঘোষণা করে সোশাল মিডিয়াতে মহুয়া মৈত্রর নাম করে কল্য়াণ বন্দ্য়োপাধ্য়ায় লেখেন--- "মহুয়া মৈত্র প্রকাশ্য়ে যে ব্য়ক্তিগত মন্তব্য় করেছেন, তা আমি দেখেছি। তাঁর যে শব্দ ব্য়বহার করেছেন, বিশেষত একজন সতীর্থ সাংসদকে তিনি যেভাবে শুয়োরের সঙ্গে তুলনা করেছেন, তা শুধু দুর্ভাগ্য়জনক নয়, প্রকাশ্য়ে কী বলা যায়, সেই সাধারণ নিয়মটুকুর প্রতি গভীর অবজ্ঞার প্রতিফলন।" সম্প্রতি দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের অফিসে যাওয়ার সময় তৃণমূলের অন্দরের লড়াই বাইরে চলে আসে।তারপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কল্য়াণ বন্দ্য়োপাধ্য়ায় বলেছিলেন, "অসভ্য মহিলা MP-কে সহ্য করব না। সুন্দরী মহিলা বলে এই নয় আর ইংরেজি ফটফটফটফটফট করে করতে পারে বলে, এই নয় যে পুরুষকে অসম্মান করতে পারে তাঁরা।" কসবা গণধর্ষণকাণ্ডেও দুই তৃণমূল সাংসদের সংঘাত সামনে চলে আসে। নির্যাতিতার দিকে কার্যত আঙুল তুলে বিতর্কে জড়ান তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। যার পর তৃণমূলের তরফে সোশাল মিডিয়ায় জানিয়ে দেওয়া হয়, দল সেই বক্তব্যের সঙ্গে কোনওভাবেই একমত নয়। কারও নাম না করে কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ লেখেন, "নারী-বিদ্বেষ ভারতের সব দলেই আছে। কিনতু, তৃণমূল কংগ্রেস এই জন্যই আলাদা কারণ, সে যেই করুক না কেন, আমরা এই ধরনের ন্যক্কারজনক মন্তব্যের নিন্দা করি।" এরপর কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও বলেন, "আমি একটি নারী হেটার (নারী বিদ্বেষী)!, সেটা মহুয়া মৈত্র।"