TMC Nusrat Jahan: বিজেপিকে বাঁশপেটার দাওয়াই তৃণমূল সাংসদ নুসরত জাহানের

বিজেপিকে বাঁশপেটার দাওয়াই তৃণমূল সাংসদ নুসরত জাহানের (Nusrat Jahan)। বললেন, '২০২১-এর ভোটে হেরে বড় ষড়যন্ত্র করছে বিজেপি। ১০০ দিনের কাজের টাকা বন্ধ করে দিয়েছে কেন্দ্র। বিজেপিকে বাঁশপেটার দাওয়াই তৃণমূল সাংসদ নুসরত জাহানের। বললেন, '২০২১-এর ভোটে হেরে বড় ষড়যন্ত্র করছে বিজেপি (BJP)। ১০০ দিনের কাজের টাকা বন্ধ করে দিয়েছে কেন্দ্র। মুখ্যমন্ত্রী যাতে মানুষের জন্য কাজ না করতে পারেন, সেজন্য টাকা বন্ধ করেছে কেন্দ্র।' এর পরই বসিরহাটের সাংসদের বার্তা, 'বিজেপি ভোট চাইতে এলে বাঁশপেটা করবেন।'

কী বললেন নুসরত জাহান?
'২০২১ সালে বলেছিল, ইস বার, ২০০ পার! ওই ২০০-র নৌকা অনেকক্ষণ ধরে টেনেছে। কিন্তু পার করতে পারেনি। মাঝনদীতেই ডুবে গিয়েছে। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জোয়ার যখন আসে, তখন সমস্ত নৌকো এমন ভাবে ভেস্তে দেবে যে তাতে তোমার অনেক জ্বালা।' তৃণমূল সাংসদের অভিযোগ, মুখ্য়মন্ত্রী যাতে মানুষের জন্য কাজ না করতে পারেন তাই সমস্ত টাকা বন্ধ করে দিয়েছে কেন্দ্র। নুসরতের কথায়, 'আমরা যখন টাকা চাই, আমাদের কথা শোনে না। কিছু দেয় না বাংলার মানুষকে। তা হলে বাংলার মানুষ তোমাকে ভোট দেবে কেন? তুমি কী করেছ?' এর পরই সংযোজন, 'আমরা ডাবল ইঞ্জিন সরকারে বিশ্বাস করি না।' 

পাল্টা দিলীপ ঘোষের...
তৃণমূল (TMC) সাংসদের তীব্র আক্রমণের জবাবে বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষের প্রশ্ন, 'যিনি একথা বলছেন, তিনি কোথায় থাকেন? তিনি রাজনীতি করেন নাকি সিনেমা করেন? তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে মানুষের কী ধারণা রয়েছে?' দিলীপের আরও দাবি, 'সংসদে এসেও থাকেন না। নিজের নির্বাচনক্ষেত্রেও থাকেন না।' পঞ্চায়েত ভোটের আগে নিজের অস্তিত্ব জানান দিতেই এই ধরনের 'উল্টোপাল্টা কথা', তীব্র কটাক্ষ  বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতির।  'এরকম উটকো লোক রাজনীতিতে দু'একজন থাকেন', মনে করেন দিলীপ ঘোষ।

আগেও আক্রমণ...
২০২১ সালের ডিসেম্বরে, রাষ্ট্রায়ত্ত্ব সংস্থাগুলির বিলগ্নীকরণ নিয়ে লোকসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেছিলেন নুসরত জাহান। তিনি লাভজনক রাষ্ট্রায়ত্ত্ব সংস্থাগুলির বিলগ্নীকরণ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এ বিষয়ে সংসদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বক্তব্য রাখা উচিত বলেও দাবি জানান বসিরহাটের সাংসদ। ‘আমরা সবাই জানি রাষ্ট্রায়ত্ত্ব শিল্প গড়ে তোলা হয়েছিল আর্থিক উন্নতির জন্য একটি বিপ্লবের শৃঙ্খলকে পরিচালনা করার লক্ষ্যে। এই পরিকল্পনার শুরুর কয়েক বছরে প্রধান শিল্পগুলির উপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার জন্য রাষ্ট্রায়ত্ত্ব শিল্পকে কাজে লাগিয়েছিল সরকার। তথাকথিত সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত্ব শিল্পকে একটি মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করাও হয়েছিল।

JOIN US ON

Whatsapp
Telegram
Sponsored Links by Taboola