Vidyasagar University: দেশের স্বাধীনতার জন্য প্রাণ বাজি রেখেছিলেন যাঁরা, তাঁদেরই সন্ত্রাসবাদী তকমা।
ABP Ananda Live: এই প্রথম নয়। এর আগেও ক্লাস এইটের বইয়ে, ‘সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ’ শীর্ষক অধ্যায়ে উল্লেখ করা হয়েছিল বাংলার বীর সন্তান ক্ষুদিরাম বসু, প্রফুল্ল চাকি সহ বিনয়-বাদল-দীনেশের কথা। ২০১৩ সাল থেকে রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি স্কুলে পড়ানো হচ্ছিল ওই বই। এই ইস্যু নিয়ে বিধানসভায় সরব হয়েছিল বামেরা। সেই সময় বিধানসভায় দাঁড়িয়ে ভুল স্বীকার করে বলেছিলেন, সরকারি বইয়ে মারাত্মক ভুল হয়ে গিয়েছে। এখন থেকে এই ধরনের পাঠ্যপুস্তক ছাপার আগে সরকারকে দেখাতে হবে। তারপর ভুল শোধরানো হয়। কিন্তু ৬ বছর পর আবার সেই ভুলেরই পুনরাবৃত্তি হল। এবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশ্নপত্রে।
'জঙ্গিরা ধর্ম দেখে দেখে গুলি করার সময় পেল কী করে ? কেন ইনটেলিজেন্স বারবার ফেল করছে? '
পহেলগাঁওকাণ্ডে গোয়েন্দা ব্য়র্থতার অভিযোগ তুলতে গিয়ে, বিরোধীদের ওপর কেন্দ্রীয় এজেন্সির সক্রিয়তার প্রসঙ্গ টেনে আনল তৃণমূল। আজ বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে রাজনৈতিক নেতাদের বাড়িতে না পাঠিয়ে দেশের সুরক্ষার কাজে লাগান। ISF বিধায়ক নৌশাদ সিদ্দিকিও প্রশ্ন তোলেন, এত জঙ্গি ঢুকছে, আমরা আটকাতে পারছি না কেন? পাল্টা জবাব দিয়েছে বিজেপি। ভারতীয় সেনাবাহিনীর সাফল্যকে সম্মান জানিয়ে বিধানসভায় প্রস্তাব পাঠের আলোচনাতেও উঠে এল কেন্দ্রীয় এজেন্সি দিয়ে বিরোধীদের হেনস্থার অভিযোগের প্রসঙ্গ!কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে রাজনৈতিক নেতাদের বাড়িতে না পাঠিয়ে দেশের সুরক্ষার কাজে লাগান।মোদি সরকারকে খোঁচা দিলেন মুখ্য়মন্ত্রী। বর্ডার পেরিয়ে পহেলগাঁওয়ে কীভাবে ঢুকে পড়ল জঙ্গিরা? সেনিয়েও প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। কেন আগে থেকে হামলার খবর ছিল না গোয়েন্দাদের কাছে? প্রশ্ন তুলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিজেপি সরকার ব্যর্থ হয়েছে। দেশের মানুষকে নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। রাজনীতি করতে গিয়ে দেশকে বিক্রি করবেন না। বিজেপি সরকারের পদত্যাগ চেয়ে সরব হন মুখ্যমন্ত্রী।