Jagadish Chandra Barma Basunia | তৃণমূলত্যাগী NCPI সাংসদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ স্থানীয়দের

কোচবিহার : বাড়ি ফেরা মাত্রই জগদীশ বর্মা বসুনিয়াকে ঘিরে বিক্ষোভ। তৃণমূলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেও জনতার বিক্ষোভের মুখে পড়লেন NCPI সাংসদ। বাড়িতে ফেরামাত্রই ফের তাঁকে ঘিরে শুরু প্রতিবাদ, বিক্ষোভ। রবিবার সাংসদের সিতাইয়ের বাড়ির সামনে চলে বিক্ষোভ মিছিল। অদূরেই জ্বালিয়ে দেওয়া হয় একটি পার্টি অফিস। উত্তেজনার পারদ চড়ে এলাকায়। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল বেরনোর পর আর সিতাইয়ে ফেরেননি জগদীশ। কখনও থেকেছেন কোচবিহার, কখনও বা দিল্লি, কখনও আবার কলকাতায়। মাঝে ১১ অগাস্ট সিতাইয়ের এই বাড়িতে ফেরার চেষ্টা চালিয়েছিলেন তিনি, কিন্তু বিক্ষোভের জেরে মাত্র দু'-তিন ঘণ্টার মধ্যেই ছাড়তে হয়েছিল এলাকা।
আরও খবর : প্রতীক নিয়ে সংঘাতের মধ্যেই Nandigram-এ প্রার্থী ঘোষণা 'কালীঘাট-তৃণমূল'-এর
প্রতীক হবে কার?
আসল তৃণমূল কে? সামনেই রাজ্যে উপনির্বাচন, তার পূর্বে রাজনৈতিক পরিসরে বারেবারে ভেসে আসছে এই প্রশ্ন। কে দেবে প্রার্থী? অবশেষে দলের জোড়াফুল প্রতীকের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে আজ, শনিবার দুই শিবিরকেই ডেকে পাঠাল নির্বাচন কমিশন। দিল্লিতে ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ডেমোক্রেসি অ্যান্ড ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট-এ বৈঠক। দুই শিবিরকেই ৫ জন করে প্রতিনিধি নিয়ে হাজির থাকতে বলেছিল কমিশন। বুধবার নির্বাচন কমিশনের তরফে মমতা বন্দ্যোাপাধ্যায় এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দেওয়া হয়েছে। ঋতব্রত শিবিরকে ১১টায় বৈঠকে ডাকা হয়েছিল। মমতার শিবিরকে ১২টায়।
এর আগে দুই শিবিরের কাছে প্রথমে ব্যাখ্যা চেয়েছিল কমিশন। কালীঘাটপন্থীরা ব্যাখ্যা দিয়েছিল। তবে সময় চেয়েছিল ঋতব্রত শিবির। তার মধ্যেই জোড়া উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা হয়ে যায়। পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম ও মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে উপনির্বাচন হবে আগামী ৬ অক্টোবর। ভোটগণনা ৯ অক্টোবর। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১৬ সেপ্টেম্বর। তার আগেই কমিশনের 'ফয়সালা বৈঠক'। একঘণ্টার ব্যবধানে কমিশনের মুখোমুখি দুই তৃণমূল। কিন্তু এদিনের বৈঠক কী নির্যাস পাওয়া গেল? সূত্রের খবর, ফ্রিজ করে দেওয়া হতে পারে 'জোড়াফুল' প্রতীক। কারণ, উপনির্বাচনের আগে চূড়ান্ত ফয়সালার সম্ভবনা কম।