আজ শিলিগুড়িতে সভা করবেন বিমল গুরুংয়ের
আজ শিলিগুড়িতে জনসভা করবেন বিমল গুরুং। তার আগে উত্তপ্ত উত্তরবঙ্গের রাজনীতি। প্রতিশ্রুতি ছাড়া কিছুই দেয়নি বিজেপি, ফের একবার সুর চড়িয়েছেন রোশন গিরি। উত্তরবঙ্গে তৃণমূলের কোনও সংগঠন নেই, তাই পলাতক নেতাকে আঁকড়ে ধরে বাঁচতে চাইছে, পাল্টা বিজেপি।
২০১৭ সালের মাঝামাঝি পাহাড় যখন অগ্নিগর্ভ, তখন উধাও হয়ে গেছিলেন তিনি। তারপর তিস্তা দিয়ে অনেক জল গড়িয়েছে। সাড়ে তিন বছর পর ফের উত্তরবঙ্গে পা রাখতে চলেছেন বিমল গুরুং। রবিবার শিলিগুড়িতে রয়েছে তাঁর জনসভা। প্রথমে বাঘাতযীন পার্কের মাঠে জনসভা করার কথা থাকলেও পরে তা পরিবর্তন করে গান্ধী ময়দানে করা হয়।
আগেই পাহাড়ে পা রেখেছেন তাঁর বিশ্বস্ত সহযোগী রোশন গিরি। এবার উত্তরবঙ্গে পা রাখছেন স্বয়ং গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা নেতা বিমল গুরুং। ইতিমধ্যেই, বিজেপির সঙ্গ ছেড়ে তৃণমূলের হাত ধরার বার্তা দিয়েছেন গুরুং। এদিন সভার প্রস্তুতি দেখতে এসে বিজেপির বিরুদ্ধে ফের সুর চড়িয়েছেন তাঁর সহযোগী।
রোশন গিরির তোপ, 'পাহাড়ের দাবি নিয়ে উদাসীন বিজেপি। তিনজন সাংসদ দেওয়া সত্বেও কোনও প্রত্যাশা পূরণ করেনি। তাই মমতা বন্দ্যেপাধ্যায়কে সমর্থনের সিদ্ধান্ত আমরা নিয়েছি। বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলকেই সমর্থন করবে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা।'
পাল্টা উত্তর দিয়েছে বিজেপিও। দার্জিলিং বিজেপি-র সাধারণ সম্পাদক আনন্দময় বর্মন, 'বিমল গুরুং ছাড়াই উত্তরবঙ্গের সমস্ত আসন জিতেছে বিজেপি। উত্তরবঙ্গে তৃণমূলের কোনও মাটি নেই। বাঁচার জন্য এখন বিমল গুরুংকে ধরতে চাইছে শাসক দল।'
এদিকে রাজ্যের মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা অরূপ বিশ্বাস বলেছেন, 'বিজেপির বিরুদ্ধে যে কোনও শক্তিকে তৃণমূলে স্বাগত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নে যারা আসতে চাইবেন সকলকে স্বাগত।'
নতুন সঙ্গীর প্রতি আস্থা। পুরনো সঙ্গীর বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ। বিনয় তামাং, অনিত থাপার বিরুদ্ধে তোপ।
সাড়ে তিন বছর পর পঞ্চমীতে আত্মপ্রকাশ করে এই বার্তাই দেন বিমল গুরুং।
অন্যদিকে পাহাড়ে বিমল গুরুয়ের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে পাল্টা সুর চড়িয়েছেন বিনয় তামাং,অনিত থাপারা।
এই অবস্থায় সভার পর পাহাড়ে নয় শিলিগুড়িতেই থাকবেন বিমল গুরুং দাবি বিমলপন্থী মোর্চা নেতাদের। সব মিলিয়ে বিধানসভা নির্বাচনের আগে ফের একবার পাহাড়ের রাজনীতি উত্তপ্ত হতে চলেছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।
২০১৭ সালের মাঝামাঝি পাহাড় যখন অগ্নিগর্ভ, তখন উধাও হয়ে গেছিলেন তিনি। তারপর তিস্তা দিয়ে অনেক জল গড়িয়েছে। সাড়ে তিন বছর পর ফের উত্তরবঙ্গে পা রাখতে চলেছেন বিমল গুরুং। রবিবার শিলিগুড়িতে রয়েছে তাঁর জনসভা। প্রথমে বাঘাতযীন পার্কের মাঠে জনসভা করার কথা থাকলেও পরে তা পরিবর্তন করে গান্ধী ময়দানে করা হয়।
আগেই পাহাড়ে পা রেখেছেন তাঁর বিশ্বস্ত সহযোগী রোশন গিরি। এবার উত্তরবঙ্গে পা রাখছেন স্বয়ং গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা নেতা বিমল গুরুং। ইতিমধ্যেই, বিজেপির সঙ্গ ছেড়ে তৃণমূলের হাত ধরার বার্তা দিয়েছেন গুরুং। এদিন সভার প্রস্তুতি দেখতে এসে বিজেপির বিরুদ্ধে ফের সুর চড়িয়েছেন তাঁর সহযোগী।
রোশন গিরির তোপ, 'পাহাড়ের দাবি নিয়ে উদাসীন বিজেপি। তিনজন সাংসদ দেওয়া সত্বেও কোনও প্রত্যাশা পূরণ করেনি। তাই মমতা বন্দ্যেপাধ্যায়কে সমর্থনের সিদ্ধান্ত আমরা নিয়েছি। বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলকেই সমর্থন করবে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা।'
পাল্টা উত্তর দিয়েছে বিজেপিও। দার্জিলিং বিজেপি-র সাধারণ সম্পাদক আনন্দময় বর্মন, 'বিমল গুরুং ছাড়াই উত্তরবঙ্গের সমস্ত আসন জিতেছে বিজেপি। উত্তরবঙ্গে তৃণমূলের কোনও মাটি নেই। বাঁচার জন্য এখন বিমল গুরুংকে ধরতে চাইছে শাসক দল।'
এদিকে রাজ্যের মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা অরূপ বিশ্বাস বলেছেন, 'বিজেপির বিরুদ্ধে যে কোনও শক্তিকে তৃণমূলে স্বাগত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নে যারা আসতে চাইবেন সকলকে স্বাগত।'
নতুন সঙ্গীর প্রতি আস্থা। পুরনো সঙ্গীর বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ। বিনয় তামাং, অনিত থাপার বিরুদ্ধে তোপ।
সাড়ে তিন বছর পর পঞ্চমীতে আত্মপ্রকাশ করে এই বার্তাই দেন বিমল গুরুং।
অন্যদিকে পাহাড়ে বিমল গুরুয়ের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে পাল্টা সুর চড়িয়েছেন বিনয় তামাং,অনিত থাপারা।
এই অবস্থায় সভার পর পাহাড়ে নয় শিলিগুড়িতেই থাকবেন বিমল গুরুং দাবি বিমলপন্থী মোর্চা নেতাদের। সব মিলিয়ে বিধানসভা নির্বাচনের আগে ফের একবার পাহাড়ের রাজনীতি উত্তপ্ত হতে চলেছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।