'নারদা স্টিং অপারেশন দুর্নীতি নয়, এটা ষড়যন্ত্র, এর পিছনে হাত আছে অভিষেকের', ABP Ananda-র সাক্ষাৎকারে দাবি Suvendu Adhikari-র

এবিপি আনন্দে সম্প্রচারিত শুভেন্দু অধিকারীর সাক্ষাৎকারের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি দিলেন কুণাল ঘোষ। তৃণমূলের মুখপাত্রের চিঠিকে গুরুত্ব দিতে নারাজ শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। দুয়ারে কড়া নাড়ছে বিধানসভা ভোট! বিগত কয়েক বছরের ট্রাডিশন বজায় রেখে ভোটের মুখে ফের একবার ভেসে উঠেছে চিটফান্ড ইস্যু!! আর এই প্রেক্ষাপটে চিটফান্ড তদন্তে প্রধানমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও সিবিআইয়ের ডিরেক্টরকে চিঠি লিখলেন তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ।
কুণাল ঘোষ তাঁর চিঠিতে এবিপি আনন্দে সম্প্রচারিত, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট সুমন দে-কে দেওয়া শুভেন্দু অধিকারীর এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে লিখেছেন, ১৯ জানুয়ারি এবিপি আনন্দে সম্প্রচারিত একটি সাক্ষাৎকারে শুভেন্দু অধিকারী সারদা ও অ্যালকেমিস্ট নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য দিয়েছেন। তা থেকে এটা পরিষ্কার যে, তাঁর কাছে এসব বিষয়ে বিশদ তথ্য রয়েছে। কিন্তু, তদন্তের সময় উনি সেগুলি সামনে আনেননি। তিনি যে তদন্তে সহযোগিতা না করে তথ্য চেপে গিয়েছেন, এটা তার স্পষ্ট প্রমাণ। তিনি (শুভেন্দু অধিকারী) আরও বলেছেন, একজন নেতা, যিনি এখন বিজেপিতে, তিনি সব জানেন। কে সেই নেতা? সেই নেতাকেও তদন্তের আওতায় আনা উচিত। ঠিক কী বলেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী? এবিপি আনন্দে সাক্ষাত্কাতরে শুভেন্দু বলেছিলেন, ‘২০১৪-তে কেডি সিংহ টাকা দিয়েছিল, আমি ও শিশিরবাবুকে সেই টাকা দেওয়া হয়নি... পাপের ভাগিদার নই, ১০ লক্ষ চেকে পাঠানো হয়েছিল, প্রত্যেককে ৭০ লক্ষ টাকা, যিনি টাকা দিয়েছিলেন তিনি বিজেপিতে আছেন, সব বলে দেবে কারা করেছিল, কেডির হেলিকপ্টারে প্রচার হয়েছে।‘
যে প্রসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেছেন, ‘একদিকে সাপ্রেশন অফ ফ্যাক্টস। অন্যদিকে, তদন্তে অসহযোগিতা, সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে আমার মনে হয়েছে এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, সেই জন্য বলেছি গ্রেফতার করে জেরা করতে হবে।’ যদিও কুণাল ঘোষের (Kunal Ghosh) এই চিঠিকে গুরুত্ব দিতে চাননি শুভেন্দু অধিকারী। কুণাল ঘোষ দাবি করেছেন, সম্প্রতি জেল থেকে সিবিআইয়ের ডিরেক্টরকে একটি চিঠি লিখেছিলেন সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেন। সেই চিঠির কথাও উল্লেখ করেছেন তৃণমূলের মুখপাত্র। তিনি লিখেছেন, শুভেন্দু অধিকারী এখন যা বলছেন তা কার্যত গত বছরের ডিসেম্বর মাসে সুদীপ্ত সেনের লেখা চিঠির তথ্যকেই প্রতিষ্ঠা করছে। যে প্রসঙ্গে বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেছেন, ‘কুণাল ঘোষ কী বলল, না বলল, তাতে কিছু যায় আসে না, উনি তো নিজেই অভিযুক্ত..তবে, সুদীপ্ত সেন যে চিঠি দিয়েছে সেটা নিয়ে তদন্ত হওয়া উচিত, কে টাকা দিল, আর কে টাকা নিল খতিয়ে দেখা উচিত।’ সব মিলিয়ে বিধানসভা ভোটের আগে ফের চিটফান্ডকে ইস্যু করছে সব দল।

JOIN US ON

Whatsapp
Telegram
Sponsored Links by Taboola