একটা পোকার কামড়েই প্যারালিসিস! ঠিকমতো কথা বলতে পারছিল না এই ছোট্ট মেয়েটি
সঙ্গে সঙ্গে ডাক্তাররা কেইলিনের চিকিত্সা শুরু করেন। এক্ষেত্রে ১২ থেকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে কেইলিন সেরে উঠবে বলে আশা প্রকাশ করেন। চিকিত্সায় কেইলিন ক্রমশ সুস্থ হয়ে উঠছে বলে জানা গিয়েছে। (ফটো-ফেসবুক)
আসলে ওই পোকার কামড়ে শরীরে নিউরোটক্সিন নামে কেমিক্যাল তৈরি হয়। ওই উপাদানটি খুবই বিষাক্ত। এমন পরিস্থিতিতে মৃত্যুও হতে পারে। (ফটো-ফেসবুক)
কেইলিনের এই অবস্থা দেখে জেসিকা মেয়ের সারা শরীর ভালো করে দেখতে শুরু করেন। সেই সময় তাঁর চোখে পড়ে, কেইলিনের মাথায় একটা পোকা। পোকাটির কামড়ে কেইলিনের মাথার চামড়ায় লাল দাগ হয়ে গিয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে তিনি কেইলিনকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান। মেডিক্যাল পরীক্ষায় ডাক্তাররা জানতে পারেন, কেইলিনের শরীরে নিউরোটক্সিনের রয়েছে। পোকার কামড়েই নিউরোটক্সিন কেইলিনের শরীরে এসেছে। (ফটো-ফেসবুক)
মেয়েটির মা জেসিকা গ্রিফিন জানিয়েছেন, গত বুধবার সকালে মেয়ে যখন স্কুলে যাওয়ার জন্য ঘুম থেকে ওঠে, তখন তারমধ্যে একটা পরিবর্তন লক্ষ্য করেন তিনি। যখন মেয়েকে স্কুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য তিনি তৈরি করছিলেন তখন লক্ষ্য করেন যে, কেইলিন ঠিকমতো কথাও বলতে পারছিল না। (ফটো-ফেসবুক)
ছোট্ট একটা পোকাই মানুষকে পক্ষাঘাতগ্রস্ত করে তুলতে পারে! হ্যাঁ, এটা একেবারেই সত্যি। আমেরিকার মিসিসিপি এলাকায় এ ধরনেরই একটি ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। সেখানকার পাঁচ বছরের একটি মেয়েকে এতটা পোকা কামড়ে দিয়েছিল। এরপরই তার প্যারালিসিস হয়ে যায়। এজন্য সে ঠিকমতো কথাও বলতে পারছিল না। মেয়েটির নাম কেইলিন (ফটো-ফেসবুক)