মৃত্যুকে থোড়াই কেয়ার, জীবনের হাতেগোনা কয়েকটা দিন এভাবে কাটাচ্ছেন এই পাকিস্তানি শেফ
নিউইয়র্কের প্রায় সমস্ত রেস্তোরাঁতেও কাজ করেছেন ফতিমা। ছবি-ইনস্টাগ্রাম
শুধু তাই নয়, অ্যালেন ফতিমাকে ৫০ হাজার ডলারও দিয়েছেন। আসলে সারা বিশ্ব ঘুরে দেখা ফতিমার। সেই ইচ্ছে পূরণের জন্য তাঁকে এই অর্থ দেওয়া হয়েছে। ছবি-ইনস্টাগ্রাম
ফতিমার এতটাই খ্যাতি ছড়িয়েছে যে, পৃথিবী বিখ্যাত টক শো অ্যালেন ডিজেনেরাস-এও তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ছবি-ইনস্টাগ্রাম
সুখাদ্য তৈরির দক্ষতার জন্য ফতিমার সারা বিশ্বে পরিচিত। তিনি বলেছেন, আর এক বছর তাঁর জীবনের মেয়াদ জানতে পেরে প্রথটা ধাক্কা খেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তিনি জানেন যে, একমাত্র ইতিবাচক মানসিকতা ও লোকজনের সঙ্গে মেলামেশার মাধ্যমে মৃত্যুর আশঙ্কাকে আমল না দিয়েই তিনি থাকতে পারবেন। ফতিমার এই হার না মানা মনোভাব সবার হৃদয় জিতে নিয়েছে। ছবি-ইনস্টাগ্রাম
মৃত্যুর এই পদধ্বনি শুনেও এতটুকু ভেঙে পড়েননি ফতিমা। জীবনের প্রত্যেকটা মুহূর্তকে ব্যবহার করার কথা ভাবেন তিনি। ছবি-ইনস্টাগ্রাম
তাঁর প্রশ্নের উত্তরে চিকিত্সকরা ফতিমাকে জানিয়েছেন, তিনি আর মাত্র ১ বছর বাঁচবেন। ছবি-ইনস্টাগ্রাম
টপ শেফ শো-এর পর ২০১৭ তে ফতিমা জানতে পারেন যে তিনি ইউইং সামকোমায় আক্রান্ত। এটি এমন একটি ক্যানসার রোগ যা শরীরে অস্থিতে হয়ে থাকে। অস্থির আশেপাশের কলাগুলিকে এই ক্যানসার প্রভাব ফেলে। ছবি-ইনস্টাগ্রাম
ফুড নেটওয়ার্ক টিভি শোতে ফতিমা প্রথম পাকিস্তানি মহিলা হিসেবে পুরস্কার জিতেছিলেন। এই শো-তে জয়ের ক্ষেত্রে ফতিমাকে সাহায্য করেছিল মুখরোচক পাকিস্তানি পদ। ব্র্যাভো টিভি শো-এর প্রথমসারির শেফও ফতিমার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন। ছবি-ইনস্টাগ্রাম
কৈশোরেই বাবা-মায়ের কাছে জেদ করে কুলিনারি ইনস্টিউট অফ আমেরিকায় পড়তে পাকিস্তান থেকে চলে এসেছিলেন ফতিমা। ছবি-ইনস্টাগ্রাম
প্রাণঘাতী ক্যানসার রোগে আক্রান্ত ২৯ বছরের পাকিস্তানি শেফ ফতিমা আলি জানেন যে, আর মাত্র এক বছর বাঁচবেন তিনি। কিন্তু মৃত্যুর ভ্রুকুটির কাছে আত্মসমর্পণ করেননি তিনি। কারণ, ফতিমা জীবনে কখনও হার মানেননি। ছবি-ইনস্টাগ্রাম