বিলুপ্ত হল এক প্রজাতি, মারা গেল বিশ্বের শেষ উত্তরী শ্বেত গন্ডার ‘সুদান’
এই গন্ডারের উপ-প্রজাতি উগান্ডা, আফ্রিকা, সুদান এবং চাদ থেকে বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে। গন্ডারের খড়্গের চাহিদা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বব্যাপী এই জন্তুর সংখ্যা ক্রমশ হ্রাস পেয়েছে। যার জেরে সুদানকে কেনিয়া থেকে সরিয়ে সংরক্ষিত স্থানে রাখা হয়।
প্রসঙ্গত, এই প্রজাতি গন্ডারদের মধ্যে দ্বিতীয় সর্ববৃহৎ। এদের উচ্চতা হাতির সমান হয়। গন্ডার পাঁচ প্রজাতির হয়। তাদের আবার দুটি উপ-প্রজাতিও হয়। এর মধ্যে দক্ষিণী শ্বেত গন্ডারদের খোঁজ পাওয়া মুস্কিল হয়ে গিয়েছে।
তার এতটাই ব্যথা ছিল যে ঠিকমতো দাঁড়িয়ে থাকতে পারত না। প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে তার শরীর খারাপ ছিল।
সুদানের নিরাপত্তার জন্য সর্বক্ষণ তার সঙ্গে বন্দুকধারী রক্ষী রাখা হতো। বাকি দুই মাদী গন্ডারকেও যথেষ্ট নিরাপত্তা দেওয়া হয়।
সুদান যে প্রজাতির ছিল, তাতে গন্ডারদের বয়স মানুষের গড় বয়সের চেয়েও বেশি। এর আগে ২০১৪ সালে আরও এক শ্বেত পুরুষ গন্ডারের মৃত্যু হয়েছিল। সেই থেকে সুদান-ই ছিল বিশ্বের শেষ শ্বেত গন্ডার।
কেনিয়ার দুভুর ক্রালোভ চিড়িয়াখানার অধিকর্তা ইয়ান স্তেসকাল জানান, ২০০৯ সাল থেকে সেখানে ছিল সুদান। সুদানের মৃত্যু মানুষের উপেক্ষার একটা বড় প্রতীক। যারা সুদানকে চিনতেন, তাঁদের কাছে এটা দুঃখের বিষয়।
এখন সুদানের মৃত্যুর পর তার উপ-প্রজাতি মেয়ে নাজিন (২৭) ও নাতনি ফাটু (১৭) বেঁচে রয়েছে। এরা উত্তরী গন্ডারের উপ-প্রজাতির শেষ দুই মাদী গন্ডার।
জানা গিয়েছে, সুদান হালে ভীষণই দুর্বল হয়ে পড়েছিল। তার হাড়ও কমজোর হয়ে পড়ে। এর ফলে, আগের চেয়ে তার স্বাস্থ্য অনেকটাই ভেঙে পড়েছিল।
প্রায় ৪৫ বছর বয়স ছিল গন্ডারটির। আফ্রিকার ওআই পেজেটা সংরক্ষণ কেন্দ্রে ছিল তার বাসা। সোমবার রাতে তার মৃত্যু হয়। বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিল সুদান।
বিলুপ্ত হল এক প্রজাতি: অসুস্থতার জন্য মারা গেল বিশ্বের শেষ উত্তরী শ্বেত পুরুষ গন্ডার ‘সুদান’। সোশ্যাল মিডিয়ায় সুদানের স্মৃতিতে শোক প্রকাশ করলেন অনুষ্কা শর্মা।