শনিদেব: জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে, শনিদেবকে ন্যায়বিচারের দেবতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কারণ তিনি আমাদের কর্মের হিসাব রাখেন। জ্যোতিষীদের মতে, শনির প্রতিটি অবস্থানের পরিবর্তন প্রায়শই আমাদের জীবনে আলোড়ন সৃষ্টি করে। ২১ মার্চ থেকে এপ্রিল পর্যন্ত শনির অবস্থান পরিবর্তন হচ্ছে; কোন রাশিগুলো আশীর্বাদপ্রাপ্ত হবে? কাদের সতর্ক থাকা প্রয়োজন? এপ্রিল মাসটি কেমন যাবে? জেনে নিন।

Continues below advertisement

শনির গোচর ঘন ঘন পরিবর্তিত হচ্ছে, এপ্রিল মাস কি শুভ না অশুভ? 

জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে, ২০২৬ সালের ২১শে মার্চ তার গোচর অবস্থান পরিবর্তিত হচ্ছে। এই সময়ে সে উত্তরভাদ্রপদ নক্ষত্রের তৃতীয় পর্বে প্রবেশ করছে। মজার ব্যাপার হলো, শনি নিজেই এই নক্ষত্রের অধিপতি। যখন কোনো গ্রহ তার নিজের ঘরে বা নক্ষত্রে অবস্থান করে, তখন তার প্রভাব খুব শক্তিশালী হয়ে ওঠে। শনি বর্তমানে ক্ষয়িষ্ণু দশায় রয়েছে, যার অর্থ তার প্রভাব মিশ্র এবং রহস্যময় হবে। শনির এই গোচর ১৭ই এপ্রিল পর্যন্ত স্থায়ী হবে। এটি আত্মদর্শন এবং অসমাপ্ত কাজ শেষ করার সময়। কোন রাশিগুলো আশীর্বাদপ্রাপ্ত হবে? জেনে নিন কাদের সতর্ক থাকতে হবে।

Continues below advertisement

মেষ রাশি

জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে, আপনি যদি দীর্ঘদিন ধরে স্বাস্থ্য এবং অপ্রয়োজনীয় খরচ নিয়ে চিন্তিত থাকেন, তবে এখনই সেগুলি থেকে মুক্তি পাওয়ার সময়। পুরোনো ঋণ পরিশোধ করা সম্ভব হবে এবং আটকে থাকা কাজ গতি পাবে। আপনার কঠোর পরিশ্রম অবশেষে ফল দিতে চলেছেন।

সিংহ রাশি 

জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে, আপনার কর্মজীবনের বাধাগুলো দূর হতে চলেছে। কর্মরতদের পদোন্নতি বা নতুন দায়িত্ব আসতে পারে। ব্যবসায় লাভ হবে এবং পারিবারিক সুখ বৃদ্ধি পাবে।

ধনু রাশি

জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে, মানসিক চাপকে বিদায় জানানোর সময় এসেছে। বিনিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে আপনি উল্লেখযোগ্য লাভ পেতে পারেন। আপনার চাকরি বদলি বা কাঙ্ক্ষিত পদোন্নতির স্বপ্ন সত্যি হবে এবং আপনার মায়ের স্বাস্থ্যেরও উন্নতি ঘটবে।

জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে, বর্তমানে মীন, কুম্ভ এবং মকর রাশি সাড়ে সাতির প্রভাবে রয়েছে, অন্যদিকে কর্কট এবং বৃশ্চিক রাশিতে ধইয়ার প্রভাবে রয়েছে। এই রাশিগুলোর জাতক-জাতিকাদের তর্ক-বিতর্ক থেকে দূরে থাকা উচিত।

ডিসক্লেমার : কোনও রাশির জাতক বা জাতিকার ভাগ্যে কী রয়েছে সেই সংক্রান্ত কোনো মতামত এবিপি লাইভের নেই। এবিপি লাইভ জ্যোতিষ সম্পর্কিত কোনো সম্পাদকীয় / সম্পাদক-নিয়ন্ত্রিত তথ্য, পরামর্শ প্রদান করে না। প্রদত্ত পরামর্শ ও তথ্য প্রয়োগের আগে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।