WhatsApp Service for EPFO : এবার সাধারণ প্রয়োজনে আর EPFO অফিসে দৌড়তে হবে না। হোয়াটসঅ্যাপেই পেয়ে যাবেন প্রভিডেন্ট ফান্ড ব্য়ালেন্স চেক ছাড়াও একাধিক সুবিধা। গ্রাহকদের এই সুবিধা দিতে হোয়াটসঅ্য়াপ সার্ভিস শুরু করল এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন(EPFO)।

Continues below advertisement

আজ থেকেই শুরু পরিষেবা১ নভেম্বর কেন্দ্রীয় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য এই পরিষেবা শুরু করেছেন। দিল্লিতে EPFO-র ৭৪তম প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষ্য়ে এই সার্ভিস শুরু করা হয়েছে। সরকারের তরফে বলা হয়েছে, মোবাইল ব্যবহারকারীদের কাছে প্রভিডেন্ট ফান্ড বিষয়ক সুবিধাগুলি সহজে পেতেই এই সার্ভিস চালু করা হয়েছে।

কী কী পরিষেবা এতে পাবেন ?PF ব্যালেন্স : প্রভিডেন্ট ফান্ড অ্যাকাউন্টের ব্য়ালেন্স চেক করা যাবে এতে।পাসবুকের তথ্য : এখানে EPF পাসবুকের রেকর্ড বা স্টেটমেন্ট দেখা যাবে।শেষ ৫টি লেনদেন : এখানেই আপনি পাবেন সাম্প্রতিক ৫টি পিএফ অ্য়াকাউন্ট লেনদেনের বিবরণ ।PMMVY কী বলছে : প্রধানমন্ত্রী মাতৃ বন্দনা যোজনার বিষয়ে স্কিম সংক্রান্ত প্রয়োজনীয়তা পূরণ করবে এই পরিষেবা।

Continues below advertisement

PMVBRY-সংক্রান্ত এই পরিষেবা বিশেষ করে সেইসব সদস্যদের জন্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক, যাদের আধার যাচাইকরণ বা অসম্পূর্ণ থাকা নথিপত্র-সংক্রান্ত বিষয় অন্যান্য সমস্যার কারণে আটকে রয়েছে।  

কীভাবে আপনি EPFO-র এই সার্ভিস পাবেন ?এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশনের তরফে এই পরিষেবাটি ভেরিফায়েড হোয়াটসঅ্যাপ পরিষেবা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। তবে ১ নভেম্বর এই পরিষেবা চালু করার সময় কোনও নির্দিষ্ট হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরের বিষয় বলা হয়নি। পাশাপাশি কীভাবে এই পরিষেবা সবাই পেতে পারেন, সেই বিষয়ে কোন কোন ধাপ অবলম্বন করতে হবে তাও জানানো হয়নি সরকারের তরফে। 

সেই কারণে EPFO সদস্যদের উচিত অফিসিয়াল ওয়াবসাইট বা যাচাই করা যোগাযোগ মাধ্যমগুলিতে প্রকাশিত হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর দেখেই তাতে এন্টার করা। ভুল করেও যাচাই না করা নম্বরে নিজের ইউএএন (UAN) পাসওয়ার্ড, ওটিপি (OTP), আধার সংক্রান্ত তথ্য অথবা ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত গোপন তথ্য শেয়ার করবেন না।  

এছাড়াও সরকারি কর্মীরা পেতে পারেন সুখবর। অষ্টম বেতন কমিশনের সুপারিশের আগেই সুখবর পেতে পারেন কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা। এবার জানুয়ারিতে তাদের মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ (DA Hike) বেড়ে হতে পারে বেসিক পের ৬৭ শতাংশ। ৬৩ শতাংশ থেকে ৪ শতাংশ বেড়ে এই অংশের ডিয়ারনেস অ্যালাউয়েন্স (Dearness Allowance) পেতে পারেন কেন্দ্রের কর্মীরা। ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এটি কার্যকর ধরা হবে।  

আরও পড়ুন : ডিজিটাল ফ্রডের শিকার হলে কত টাকা ফেরত পাবেন ? ১ জানুয়ারি থেকে নতুন নিয়ম