Income Tax : আপনিও এই ভুল করলে হতে পারে বড় সমস্যা। মনে রাখবেন, এই বিষয়ে আপনার বিনিয়োগ বিশেষজ্ঞের সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করে নেওয়া উচিত। কারণ আপনার হাতে রয়েছে আর কিছুদিন।
কী ভুল করা উচিত নয় ২০২৫-২৬ আর্থিক বছর শেষ হতে আর মাত্র হাতে গোনা কয়েকটা দিন বাকি। ২০২৬-২৭-এর নতুন আর্থিক বছর শুরু হওয়ার আগেই করদাতাদের বেশ কিছু জরুরি কাজ গুছিয়ে নেওয়া প্রয়োজন। সঠিক সময়ে এই পদক্ষেপগুলি না নিলে কেবল ট্যাক্স সেভিং-এর সুযোগই হারাবেন না, বরং পকেট থেকে বাড়তি পেনাল্টি দেওয়ার ঝুঁকিও থেকে যায়।
দেখে নিন কোন কাজগুলি আপনার তালিকার শীর্ষে থাকা উচিত:
১. বিনিয়োগের প্রমাণপত্র জমা দিনআপনি যদি বছরের শুরুতে আপনার সংস্থাকে (Employer) কর সাশ্রয়ের জন্য বিভিন্ন বিনিয়োগের তথ্য দিয়ে থাকেন, তবে এখনই তার আসল নথি বা প্রুফ জমা দেওয়ার সময়। সাধারণত ৩১শে মার্চের আগেই এই প্রক্রিয়া শেষ করতে হয়। দেরি করলে কোম্পানি আপনার বেতন থেকে অতিরিক্ত TDS কেটে নিতে পারে, যা সাময়িকভাবে আপনার আর্থিক ক্ষতির কারণ হবে।
২. অগ্রিম কর বা Advance Tax যাদের মোট কর দায় (Tax Liability) ১০,০০০ টাকার বেশি, তাদের জন্য ১৫ই মার্চ, ২০২৬ ছিল অগ্রিম কর জমা দেওয়ার শেষ তারিখ। আপনি যদি এখনও তা না করে থাকেন, তবে ৩১শে মার্চের মধ্যে অবশ্যই তা মিটিয়ে ফেলার চেষ্টা করুন। সময়মতো অগ্রিম কর না দিলে আয়কর আইনের অধীনে অতিরিক্ত সুদ ও জরিমানা দিতে হতে পারে।
৩. কর সাশ্রয়কারী স্কিমে বিনিয়োগ (Old Tax Regime)আপনি যদি পুরনো কর কাঠামো (Old Tax Regime) বেছে নিয়ে থাকেন, তবে ট্যাক্স রিবেট পাওয়ার জন্য এখনই সেরা সময়। নিচের সরকারি স্কিমগুলোতে বিনিয়োগ করে আপনি কর ছাড় পেতে পারেন:
PPF (পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড)
SSY (সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনা)
NSC (ন্যাশনাল সেভিংস সার্টিফিকেট)
নোট: এই অ্যাকাউন্টগুলি সক্রিয় রাখতে ন্যূনতম বার্ষিক আমানত জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। তাই বছর শেষের আগে একবার চেক করে নিন।
৪. স্বাস্থ্য বিমার প্রিমিয়ামে ছাড় (Section 80D)নিজের এবং পরিবারের জন্য স্বাস্থ্য বিমার প্রিমিয়াম দিয়ে আপনি ধারা 80D-র অধীনে ছাড় পেতে পারেন।
নিজের এবং পরিবারের জন্য সর্বোচ্চ ২৫,০০০ টাকা পর্যন্ত ছাড় পাওয়া যায়।
বীমাকৃত ব্যক্তির বয়স ৬০ বছরের বেশি হলে এই সীমা বেড়ে হয় ৫০,০০০ টাকা।
বাবা-মায়ের জন্য আলাদা প্রিমিয়াম দিলেও অতিরিক্ত ট্যাক্স বেনিফিট পাওয়া সম্ভব।
