How To Find Gold Resale Value : সোনা বিক্রির (Gold Resale Price) ক্ষেত্রে অনেকেই বুঝতে পারেন না এই বিষয়ে। যার সুযোগ নিতে পারেন দোকানিরা। সেই ক্ষেত্রে আপনার পুরনো সোনার কত 'রিসেল ভ্যালু' পেতে পারেন আপনি। এখানে রইল সেরকম ৭টি বিষয়। জেনে নিন, সোনা বিক্রির ক্ষেত্রে কোন বিষয়গুলি সম্পর্কে সম্যক ধারণা রাখতে হবে আপনাকে।
কেন এখন অনেকেই সোনা বিক্রি করছেন ?যার বিগত কয়েক দশক ধরে সোনায় বিনিয়োগ করছিলেন, তাদের অনেকেই এখন গোল্ড সেল করলে বিপুল লাভের মুখ দেখতে পারবেন। হিসেব বলছে, ২০২৬ সালে ২৪ ক্যারেট ১০ গ্রাম সোনার মূল্য ৪৬.৯৮ শতাংশ বেড়েছে। অন্তত এই হিসেব দিচ্ছে ব্যাঙ্ক বাজার। যে কারণে এখন এই হলুদ ধাতু বিক্রি করলে বিপুল লাভের মুখ দেখতে পারেন আপনি।
সোনা বিক্রির আগে এই ৭ বিষয় মাথায় রাখবেন ১ সোনার বিশুদ্ধতা- সোনার গয়নার ক্ষেত্রে ১৪, ১৮ ও ২২ ক্যারেটের গোল্ড হয়। যেখানে বিশুদ্ধতার পরিমাণ শেষ কথা বলে। ১০ গ্রামে মধ্য়ে কোন ক্যারেট সোনার পরিমাণ বেশি রয়েছে তার ওপর এর বিশুদ্ধতা যাচাই হয়।২ নেট সোনার ওজন- এখানে সোনার গয়না থেকে পাথর, কোনও দামি ধাতু বাদ দিয়ে দেয় ক্রেতা। মন রাখবেন, ২৪ ক্যারেট সোনার গয়না সচরাচর দেখা যায় না। কারণ বিশুদ্ধ সোনা অত্যন্ত নরম ও নমনীয় হয়। তাই এটি দিয়ে গয়না তৈরি করা যায় না। ৩ গোল্ড রেটের বিষয়ে জানুন- দোকানে গিয়ে আপনি দেখতে পারেন, পুরানো সোনা কেনার ক্ষেত্রে যে দর দোকানে দেওয়া হচ্ছে, তা জুয়েলারের দেখানো বিক্রির মূল্য থেকে আলাদা হতে পারে। সেই ক্ষেত্রে আপনার সোনার জন্য কত টাকা দোকানি দেবে, তা বুঝে নিন। ৪ মেকিং চার্জ - একটা বিষয় মাথায় রাখবেন, আপনি গয়না কেনার সময় যে তৈরির খরচ দিতে হয়েছিল, গয়না বিক্রির সময় সেই মেকিং চার্জ আর পাবেন না। তাই এই বিষয়টি আগে থেকেই মাথায় রাখুন।৫ টেস্টিং ও টাকা কাটার বিষয়- মনে রাখবেন, সোনার বিশুদ্ধতা যাচাই করার ক্ষেত্রে দোকানি ভ্যালুয়েশন পলিসি অনুযায়ী কিছু টাকা কেটে রাখতে পারেন, তাই আগে থেকেই এই বিষয়ে দোকানির সঙ্গে কথা বলে নিন।৬ হলমার্ক যাচাই- BIS হলমার্ক গয়নায় ৬ সংখ্যার হলমার্ক ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন বা (HUID) থাকে BIS Care অ্যাপের মাধ্যমে এই গয়নার বিশুদ্ধাতা যাচাই করে নিন। এতে দোকানি আপনাকে গয়না সম্পর্কে নেতিবাচক কথা বলতে পারবে না। ৭ বাইব্যাক পলিসি- অনেক সময় সোনার গয়না বিক্রেতা কোথা থেকে জুয়োলারি কেনা হয়েছে, তার জন্য আলাদা দর দিতে পারেন । এই ক্ষেত্রে আসল ইনভয়েস বা অন্য কোনও নথি প্রয়োজন থাকলে তা আগে থেকেই গুছিয়ে রাখুন।
কীভাবে সোনার দামের হিসেব হয় ?
কোনও ব্যক্তি যদি ২২ ক্য়ারেট সোনার ২০ গ্রাম ওজনের গয়না বিক্রি করতে চান, তাহলে পাথর ও অন্যান্য উপাদানের জন্য ২ গ্রাম বাদ যেতে পারে। সেই ক্ষেত্রে সোনার আসল ওজন হবে ১৮ গ্রাম। যদি সোনার দাম প্রতি গ্রামে ১০,০০০ টাকা হয়, তাহলে এর প্রাথমিক মূল্য হবে ১,৮০,০০০ টাকা। তবে এখানে দোকানির শর্তাবলীর ওপর ভিত্তি করে চূড়ান্ত অর্থের পরিমাণ কমে যেতে পারে।
আরও পড়ুন : ১০ লাখ রাখলে ২০ পাবেন, সরকারের রয়েছে এমন দ্বিগুণ করার স্কিম
