Investment After 40 : আপনিও যদি দেরিতে বিনিয়োগ শুরু করে থাকেন , তাহলে অবশ্যই মেনে চলুন এই পরামর্শগুলি। সেই ক্ষেত্রে ৪০ বছরের পরেও সামান্য নিয়মিত বিনিয়োগ দিতে পারে বড় ফান্ড। জেনে নিন, কীভাবে এই পাঁচ পদ্ধতি।
এই পরিস্থিতিতে চিন্তার কিছু নেই
অনেক সময় ৪০ পার করতেই সংসারের দায়িত্ব গ্রাস করে আমাদের। সেই ক্ষেত্রে বাবা, মা সন্তান স্ত্রীর দায়িত্ব এসে পড়ে কাঁধে। এই সময় সন্তানের পড়াশোনার খরচ, বাবা মায়ের চিকিৎসা ছাড়াও হোম লোন নিয়ে উদ্বেগে থাকেন বেশিরভাগ মানুষ। অনেকেই মনে করেন, ৪০ পার করা মানেই বড্ড দেরি হয়ে গেছে। আসলে বিষয়টা কিন্তু তেমন নয়। এখনও অবসরের আগে ১৫-২০ বছর হাতে রয়েছে আপনার। তাই সঠিক পথ বেছে নিলে সহজেই আর্থিক পরকল্পনায় সাফল্য আসবে।
বিনিয়োগের আগে এই খরচগুলি দেখে নিন
একবার বিনিয়োগের পথে হাঁটার আগে আপনার মাসিক হাতে নগদের পরিমাণ বুঝে নিন। এখানে আপনার EMI, মুদি সামগ্রী, রোজকার খরচ, ইলেকট্রিসিটি বিল, গ্যাসের বিল দিয়ে কত সঞ্চয় হচ্ছে তা হিসেব করুন। পরবর্তীকালে এই অতিরিক্ত সঞ্চিত টাকাই আপনার বিনিয়োগের মূল ভিত হিসেবে কাজ করবে।
অবসরের জন্য কী প্ল্যান রাখছেন ?
ছেলে-মেয়ের পড়াশোনা ছাড়াও বাড়ির লোনের খরচের পাশাপাশি আপনাকে সবার আগে অবসরের পর টাকা কোথা থেকে আসবে তা ভাবতে হবে। তাই ৪০ পার করলেই রিটায়ারমেন্ট প্ল্যান বাধ্যতামূলক। কারণ , এই ৪০-৬০ বছর আপনার আয়ের সেরা সময়।
স্টক মার্কেটের বিষয়টা মাথায় আছে তো ?
অনেকে স্টক মার্কেট পড়ছে দেখে দূরে চলে আসেন। এই সময়ই বিনিয়োগের সেরা সময়। কারণ , কম দামে ভালো স্টক কিনতে পারবেন আপনি। অথবা মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করলে এই সময় কম ন্যাভ থাকবে ফান্ডগুলির। তাই প্রতি মাসে SIP থামাবেন না। দীর্ঘ মেয়াদে টাকা পড়ে থাকলে তবেই কম্পাউন্ডিং বা চক্রবৃদ্ধি হারে সুদ পাওয়া সম্ভব।
চল্লিশের পর ইক্যুইটি মার্কেট থেকে সরে আসা পুরো ভুল সিদ্ধান্ত হতে পারে। অবসরের আগে ১৫-২০ বছরের মার্কেটে বিনিয়োগের সময়, ভবিষ্যতে আপনাকে মূল্যবৃদ্ধিকে টেক্কা দিতে সাহায্য করবে। তবে এক জায়গায় টাকা না রেখে, স্টক, মিউচুয়াল ফান্ড, ফিক্সড ডিপোজিট , ডেট ফান্ডে টাকা রাখুন। তাতে কোনও কারণে একটা পারফর্ম না করলেও অন্যটা আপনাকে ভরসা জোগাবে।
এমারজেন্সি ফান্ড রাখুন হাতে
সব সময় ৬ মাসের এমারজেন্সি ফান্ড হাতে রাখুন। যাতে আকস্মিক কিছু হলে আপনি আপনার ও পরিবারের দায়িত্ব নিতে পারেন। প্রতিবার বোনাস বা স্যালারি বৃদ্ধি হলে SIP-র পরিমাণ ১০ থেকে ১৫ শতাংশ বাড়িয়ে দিন। এতে দ্রুত ফান্ড বৃদ্ধি হতে সময় কম লাগবে।
আরও পড়ুন : এবার হোয়াটসঅ্য়াপেই PF ব্যালেন্স, কী কী EPFO পরিষেবা পাবেন আপনি ? ফোনেই সবকিছু
