Women Beneficiaries : মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রীর 'মাঝি লাডকি বহিন যোজনা'-র অনেক মহিলা সুবিধাভোগী এখনও নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসের কিস্তি পাননি। ইতিমধ্য়েই যা হতাশ করেছে মহিলাদের। লাডকি বহিন যোজনার জন্য কেওয়াইসি সম্পন্ন করার শেষ তারিখ ছিল ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫। তবে, কেওয়াইসি সম্পন্ন করা সত্ত্বেও অনেক লাডকি বহিন সুবিধাভোগী নভেম্বর ও ডিসেম্বরের টাকা পাননি।
কী কারণে এই সমস্যা তৈরি হয়েছে ?এই বিষয়ে মুম্বাইয়ের বাসিন্দা চঞ্চল যাদব বলেন, "আমি লাডকি বহিন যোজনার জন্য কেওয়াইসি করেছি। কিন্তু আমি এখনও নভেম্বর এবং ডিসেম্বরের টাকা পাইনি। আমি লাডকি বহিন যোজনার পোর্টালে লগইন করার চেষ্টা করছি, কিন্তু আমি ওটিপিও পাচ্ছি না। তাহলে টাকা না আসার কারণ কী? আমি বুঝতে পারছি না।"
একই বিষয়ে মুখ খুলেছেন ছত্রপতি সম্ভাজিনগরের তাইসিম পাঠান। তিনি বলেন, "আমি একজন গৃহিণী, আমাদের পরিবারের নামে একটি চার চাকার গাড়িও নেই, আমরা কেওয়াইসিও করেছি, কিন্তু তারপরেও আমরা লাডকি বহিন যোজনার টাকা পাইনি।"
পুনের বাসিন্দা সোনি ঘোটকর বলেন, "আমি দুই মাস ধরে লাডকি বহিন যোজনার টাকা পাইনি। গতকাল বেশ কিছু মহিলার অ্যাকাউন্টে টাকা এসেছে। আমি আমার সব ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট দেখেছি, কিন্তু আমি লাডকি বহিন যোজনার কিস্তি পাইনি। কেওয়াইসি সম্পন্ন করা সত্ত্বেও সরকার কেন আমাদের সাথে এমন আচরণ করছে?"
কী বলছে সরকাররাজ্যের অনেক লাডকি বোন কেওয়াইসি সম্পন্ন করা সত্ত্বেও প্রকল্পের টাকা পাননি। এই বিষয়ে রাজ্যের মহিলা ও শিশু উন্নয়ন মন্ত্রী অদিতি তাতকারে বলেছেন, "আমরা যোগ্য লাডকি বোনেদের জন্য নভেম্বর এবং ডিসেম্বরের দুটি কিস্তি পাঠিয়েছি। পৌরসভা নির্বাচনের আগেই যোগ্য মহিলাদের অ্যাকাউন্টে তহবিল জমা করা হয়েছে। দুই মাসের তহবিল একসঙ্গে জমা করার কথা ছিল। তবে, নির্বাচন কমিশন অগ্রিম জমা নিষিদ্ধ করেছে, তাই সরকার শুধুমাত্র ডিসেম্বর মাসের টাকা দিয়েছে।"
জানুয়ারির কিস্তি কবে আসবে ?গত বছর বিধানসভা নির্বাচনের সময় লাডকি বহিন যোজনার দুটি কিস্তি একসঙ্গে দেওয়া হয়েছিল, যা বিরোধীদের সমালোচনার সুযোগ দিয়েছিল। এবারও নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসের তহবিল একসঙ্গেই বিতরণ করার কথা ছিল। তবে বিরোধী দল এতে আপত্তি জানায়। কংগ্রেস রাজ্য নির্বাচন কমিশনে একটি অভিযোগ দায়ের করে। এর ফলে সরকার এখন শুধু নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসের নিয়মিত কিস্তি পাঠিয়েছে। জানুয়ারি মাসের কিস্তি পাঠানো হয়নি। জানুয়ারির কিস্তি কবে আসবে, সেই বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে এখনও কোনও স্পষ্টীকরণ আসেনি।