Personal Loan Tips : আপনার জীবনেও আসতে পারে এরকম এক পরিস্থিতি। যেখানে মেডিক্যাল বিল, বিয়ে বা হঠাৎ আসা পরিস্থিতির জন্য় ঋণের প্রয়োজন হতে পারে আপনার। সেই ক্ষেত্রে পার্সোনাল লোন (Personal Loan) বা ব্যাক্তিগত ঋণ হতে পারে সেরা পছন্দ। তবে অনেক সময় না বুঝেই আমরা এই ঋণ (Loan Taking Tips)  নিয়ে ফেলি। তাতে এনেক বেশি ঝক্কি পোহাতে হয় আমাদের।

Continues below advertisement

কত টাকা হতে পারে পার্সোনাল লোনের ইন্টারেস্টবর্তমানে আপনার সিবিল অনুযায়ী ৯.৭৫ শতাংশ থেকে ১৫ শতাংশ হতে পারে ব্যক্তিগত ঋণের সুদ। আপনি যদি এক বছরের জন্য ১ লাখ টাকা লোন নেন, সেই ক্ষেত্রে সব থেকে বেশি ভাবাবে আপনাকে সুদের হার। মাত্র কিছু অংশ ঋণের হার বৃদ্ধি আপনার ঋণ শোধের ক্ষেত্রে মাসিক EMI-তে অনেক প্রভাব ফেলবে। 

এক লাখ টাকা এক বছরের জন্য লোন নিলে কীভাবে শোধ করতে হবে৯.৯৯ শতাংশ সুদের হার ধরে কাজ করলে আপনার মাসিক EMI হবে প্রায় ৮,৭৯১ টাকা।এই ক্ষেত্রে আপনাকে পুরো বছরে মোট ১ লক্ষ ৫ হাজার ৪৯৩ টাকা শোধ করতে হবে।মোট সুদ হবে – ৫,৪৯৩ টাকা

Continues below advertisement

৯.৯৫ শতাংশ সুদের হারে হলে কী হবেযদি সুদের হার ৯.৯৫ শতাংশ হয়, তবে আপনার মাসিক EMI হবে প্রায় ৮,৭৮৯ টাকা।তাহলে আপনাকে মোট ১ লক্ষ ৫ হাজার ৪৭১ টাকা শোধ করতে হবে।মোট সুদ হবে – ৫,৪৭ টাকা

১১ শতাংশ সুদের হারে ঋণ কতটা বাড়বে ?সুদের হার বেড়ে যদি ১১ শতাংশ হয়, তবে EMI-ও বেড়ে আনুমানিক ৮,৮৩৮ টাকা হবে।এক্ষেত্রে আপনার মোট পরিশোধের পরিমাণ হবে ১ লক্ষ ৬ হাজার ৫৮ টাকা।সেই ক্ষেত্রে মোট সুদ – ৬,০৫৮ টাকা হবে

১২.০৫ ​​শতাংশ সুদ হলে কী হবেএই ক্ষেত্রে আপনার EMI বেড়ে ৮,৮৮৭ টাকা হবে।মনে রাখবেন, আপনাকে মোট ১ লক্ষ ৬ হাজার ৬৪৭ টাকা শোধ করতে হবে।যেখানে মোট সুদ – ৬,৬৪৭ টাকা

ব্যক্তিগত ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে এই বিষয়গুলি অবশ্যই মনে রাখবেন১ ক্রেডিট স্কোর- আপনি লোন নেওয়ার আগে অবশ্যই ক্রেডিট স্কোরের কথা মাথায় রাখুন। সিবিল স্কোর ভাল হলে আপনি কম রেটে ঋণ পাবেন২ দরাদরি করতে পারেন- আপনি চাইলে ব্য়াঙ্কের এজেন্টের সঙ্গে ঋণের সুদের হার নিয়ে দরাদরি করতে পারেন৩ সুদের হার তুলনা করুন-একটা ব্য়াঙ্কের ওপর নির্ভর না থেকে অনেকগুলি ব্যাঙ্কের ইন্টারেস্ট রেট তুলনা করুন।৪ লুকোনা চার্জগুলি বুঝে নিন- একটা জিনিস অবশ্যই মাথায় রাখবেন। ব্যাঙ্কের প্রসেসিং ফি, প্রিপেমেন্ট চার্জ, দেরির চার্জের মতো গোপন খরচগুলির প্রতি বিশেষ নজর দিন।৫  মাসিক কিস্তি (EMI) ও আপনার পরিশোধের ক্ষমতা যাচাই করে দেখুন। প্রতি মাসে আপনি ওই পরিমাণ কিস্তি পরিশোধ করতে পারবেন কি না, তা আগে বুঝে নিন। সুদের হার যত বৃদ্ধি পাবে, আপনার মাসিক কিস্তি (EMI) ও মোট পরিশোধের পরিমাণও তত বেড়ে যাবে। তাই, ঋণ গ্রহণের সময় সর্বদা সর্বনিম্ন সুদের হারযুক্ত বিকল্পটি বেছে নেওয়াটাই লাভজনক।