Public Provident Fund : শেয়ার বাজারের (Stock Market) বিপুল আয়ের পথে হাঁটতে হবে না। সরকারি নিশ্চিত রিটার্ন পেতে চাইলে পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড (PPF) হতে পারে দারুণ বিনিয়োগের (Investment) জায়গা। যেখানে ৭.১ শতাংশ হারে সুদ (Interest Rate) পাবেন আপনি। তবে দীর্ঘমেয়াদে এই সুদের হারই আপনাকে অবসরকালে (Retirement Benefits) স্বস্তি দিতে পারে। যেখানে আপনি পেতে পারেন মাসে ৬১ হাজার টাকা। 

Continues below advertisement

কেন পিপিএফে ভরসা করতে পারেন এখনসম্প্রতি স্বল্প সঞ্চয়ে সুদের নতুন হার ঘোষণা করেছে সরকার। যেখানে আগের ইন্টারেস্ট রেট রেখে দেওয়া হয়েছে। এপ্রিল-থেকে জুন ত্রৈমাসিকে আপনি পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড বাবদ ৭.১ শতাংশ সুদ পাবেন। মনে রাখতে হবে, বছরে চক্রবৃদ্ধি হারে এই সুদের হার পাবেন আপনি। মানে প্রতি বছর আপনার জমার ওপর ৭.১ শতাংশ সুদের পর যা আসল দাঁড়াবে, পরে তার ওপর সুদ পাবেন আপনি। এই কমপাউন্ড ইন্টারেস্টের জন্য আপনার তহবিল অনেকটাই বেড়ে যাবে। দীর্ঘ মেয়াদে যা বিপুল রিটার্ন দেবে আপনাকে।

এই পিপিএফ থেকেই ৬১ হাজার টাকা মাসে পাবেনএকবার এই কৌশলে বিনিয়োগ করলে আপনি ২৫ বছরে বিপুল টাকা পিপিএফ থেকে রিটার্ন বাবদ পাবেন। তবে আপনাকে মেনে চলতে হবে, ১৫+৫+৫ সূত্র। তবেই দীর্ঘ মেয়াদে আপনি অবসরের সময় মাসে ৬১ হাজার টাকা করে পেতে পারেন। এই স্কিমে নিয়ম অনুসারে ,আপনি সর্বোচ্চ বছরে ১.৫ লাখ টাকা বিনিয়োগ করতে পারেন। সেই ক্ষেত্রে ২৫ বছরে মোট ৩৭.৫  টাকা ইনভেস্ট করতে পারবেন। সব মিলিয়ে যা থেকে আপনি পাবেন ১.৩ কোটি টাকা।

Continues below advertisement

কত টাকা ইন্টারেস্ট বাবদ আসছেএইভাবে বিনিয়োগ করলে আপনি কেবল সুদ বাবদ পিপিএফ থেকে ৬৫ লাখ টাকা পাবেন। আপনি চাইলে মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর এই বিপুল তহবিল অ্য়াকাউন্টে রেখেও দিতে পারেন। সেই ক্ষেত্রে ১.৩ কোটি টাকার ওপর ৭.১ শতাংশের সুদ ধরলে আপনি ৭.৩১ লাখ প্রতি বছর পেতে পারেন। যা আপনাকে প্রতি মাসে ৬০ থেকে ৬১ হাজার টাকা দেবে। 

এই ক্ষেত্রে কী রয়েছে পিপিএফের নিয়মআপনাকে মনে রাখতে হবে, পিপিএফের মূল মেয়াদ ১৫ বছরের হয়। এরপর আপনার হাতে থাকে আরও তিনটে অপশন। আপনি সব টাকা তুলে নিন আপনি আরও ৫ বছরের জন্য এই টাকা রেখে দিতে পারেন অথবা প্রতি বছর আরও এর মধ্যে বিনিয়োগ করতে পারেন

আপনি পাবেন কর ছাড়ের সুবিধাএকটা বিষয় মাথায় রাখতে হবে, আপনি যদি ১৫ বছর ধরে চক্রবৃদ্ধি হারে সুদের সুবিধা পান , তাহলে আপনার টাকা আরও দ্রুত গতিতে বাড়বে। এ ছাড়াও আপনি পাবেন এখানে কর ছাড়ের সুবিধা। আয়কর আইনের ৮০সি ধারা অনুযায়ী এতে আপনি দেড় লক্ষ টাকা পর্যন্ত কর ছাড়ের সুবিধা পাবেন।

সাত বছরের পর রয়েছে আংশিক টাকা তোলার সুবিধাএই স্কিম বেতনভুক কর্মী, গৃহিণী ও ছোট ব্য়বসায়ীদের জন্য দারুণ কাজের। এখানে আপনাকে বছরে ন্য়ূনতম ৫০০ টাকা রাখতেই হবে। সর্বোচ্চ ১.৫ লাখ টাকা রাখতে পারেন আপনি। ১৫ বছরের লক ইন পিরিয়ডের মধ্য়ে আপনি চাইলে ৭ বছরের পর এই টাকার আংশিক পরিমাণ তুলতে পারেন। সরকারি এই স্কিম পোস্ট অফিস বা ব্য়াঙ্কে খুলতে পারেন আপনি। ১৫+৫+৫ বছর মানে মোট ২৫ বছরে এখানে বিনিয়োগ বজায় রাখলে মাসে ৬১ হাজার টাকা করে সহজেই ঢুকবে।