FD Interest Rates : মাসে-মাসে ২৫,০০০ টাকা করে রেখে বড় তহবিল গড়তে চাইলে আপনি নিচ্ছেন ঠিক সিদ্ধান্ত। তবে আপনার আর্জিত টাকা কোথায় রাখলে বেশি লাভ পাবেন জানেন ? এই ক্ষেত্রে আপনার স্টেট ব্যাঙ্ক (SBI), পিএনবি (PNB) না পোস্ট অফিসের আরডি (Post Office RD) দেবে বেশি লাভ (Profit)।

Continues below advertisement

৫ বছর পর আপনি কত পাবেন

প্রতি মাসে ২৫,০০০ টাকা করে ৫ বছর অর্থাৎ ৬০ মাস ধরে জমালে আপনার পকেট থেকে মোট বিনিয়োগ হবে ১৫ লাখ টাকা ।এই ১৫ লাখ টাকার মূলধনের ওপর বিভিন্ন ব্যাঙ্ক ও পোস্ট অফিসের চক্রবৃদ্ধি সুদ কীভাবে কাজ করে এবং ২০২৬ সালের বর্তমান সুদের হারের ভিত্তিতে কোথায় সবচেয়ে বেশি লাভ পাবেন, তার একটি বিশদ প্রতিবেদন নীচে দেওয়া হল..

Continues below advertisement

পোস্ট অফিস বনাম রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি ব্যাঙ্কের রিটার্নের তুলনা৫ বছরের মেয়াদে বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের আনুমানিক সুদের হার এবং তার ভিত্তিতে আপনার জমানো ১৫ লাখ টাকা কত টাকা হয়ে ফেরত আসবে, তা দেখে নিন:

প্রতিষ্ঠানআনুমানিক সুদের হার (বার্ষিক)৫ বছর পর আনুমানিক ম্যাচিউরিটি অ্যামাউন্টমোট অর্জিত সুদের পরিমাণ
পোস্ট অফিস (Post Office)৬.৭%₹১৭.৩ লাখ থেকে ₹১৭.৬ লাখ₹২.৩ লাখ থেকে ₹২.৬ লাখ
SBI এবং PNB৬.৫% থেকে ৭%₹১৭.৫ লাখ থেকে ₹১৮.০ লাখ₹২.৫ লাখ থেকে ₹৩.০ লাখ
HDFC ব্যাংক৭%₹১৮.০ লাখ থেকে ₹১৮.৫ লাখ₹৩.০ লাখ থেকে ₹৩.৫ লাখ

একটা বিষয় আপনাকে মাথায় রাখতে হবে। পোস্ট অফিসের সুদের হার সম্পূর্ণ সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত, যা কম ঝুঁকিতে নিশ্চিত আয়ের জন্য সেরা। অন্যদিকে, স্টেট ব্যাঙ্ক (SBI) বা পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক (PNB)-এর মতো রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে সুদের হার সময়ে সময়ে সামান্য পরিবর্তিত হতে পারে, তবে এখানেও সুরক্ষার অভাব নেই। একটু বেশি রিটার্নের জন্য HDFC-র মতো শীর্ষ সারির বেসরকারি ব্যাঙ্ক বেছে নেওয়া যেতে পারে।

চক্রবৃদ্ধি সুদের ম্যাজিক, কোথায় বেশি টাকাআমরা সবাই জানি, আরডি-তে টাকা বৃদ্ধির মূল কারণ চক্রবৃদ্ধি সুদ বা কম্পাউন্ডিং ইন্টারেস্ট। আপনি প্রথম মাসে যে ২৫,০০০ টাকা জমা দিচ্ছেন, সেটি পুরো ৬০ মাস ধরে সুদ পেতে থাকে। দ্বিতীয় মাসের টাকাটি পায় ৫৯ মাসের সুদ। এইভাবে প্রথম দিকে জমানো টাকা দীর্ঘ সময় ধরে খাটায় তার ওপর সুদের ওপর সুদ যোগ হতে থাকে। ফলে ৫ বছর শেষে একটা বড় অঙ্কের রিটার্ন আপনার হাতে আসে।

বিনিয়োগের আগে ৩টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি মাথায় রাখুনসুদের ওপর কর (TDS): মনে রাখবেন, আরডি থেকে পাওয়া সুদের টাকা কিন্তু সম্পূর্ণ করমুক্ত নয়। আপনার বার্ষিক আয় অনুযায়ী আপনি যে ট্যাক্স স্ল্যাবের (Tax Slab) মধ্যে পড়েন, সেই হারে এই সুদের ওপর আপনাকে আয়কর দিতে হবে।

কিস্তি মিস করার জরিমানা: প্রতি মাসে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ২৫,০০০ টাকার কিস্তি জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। কোনো কারণে কিস্তি দিতে দেরি হলে ব্যাঙ্ক বা পোস্ট অফিস জরিমানা (Penalty) কাটতে পারে।

মেয়াদ শেষের আগে টাকা তোলা: যদি ৫ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই আপনি আরডি ভেঙে টাকা তুলে নিতে চান, তবে কিন্তু নির্ধারিত সুদের চেয়ে বেশ কম হারে সুদ পাবেন।

আরও পড়ুন : প্রবীণ নাগরিকরা পাবেন ৮.২৫ শতাংশ সুদ, SBI, HDFC ও Yes Bank-এর মধ্যে কোথায় লাভ বেশি ?