কলকাতা: আমাদের জীবনকে অনেকটা সহজ করে দিয়েছে ইউপিআই। গোটা বিশ্বে যখন কার্ড বেসড ডিজিটাল পেমেন্ট ধীরে ধীরে ডালপালা মেলছিল, সেই সময় ভারত নিয়ে আসে UPI বা ইউনিফায়েড পেমেন্ট ইন্টারফেস (Unified Payments Interface) । এর মাধ্যমে অনেক কাউকে টাকা পাঠানো আজকের দিনে খুবই সহজ হয়ে গিয়েছে। একটা QR কোড বা একটা ভার্চুয়াল পেমেন্ট অ্যাড্রেস (VPA) থাকলেই, মুহূর্তে পাঠানো যায় টাকা। কিন্তু এর মধ্যেও লুকিয়ে রয়েছে একটা খারাপ দিক।     

Continues below advertisement

আরও পড়ুন: মাত্র ১২ বছরে জমিয়ে ফেলতে পারেন ১ কোটি টাকা! উপায়টা খুবই সহজ কিন্তু রাস্তাটা বেশ কঠিন

UPI আমাদের জীবনকে সহজ করে তুললেও আমাদের লেনদেনের মধ্যেই একটা সমস্যা থেকে গিয়েছে। আমরা এমনই অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছি যে কিছু কেনার সময় সবার আগে UPI ব্যবহার করি। হয়তো চায়ের দোকানে ১২ টাকা, আবার বিস্কুট কিনতে গিয়ে হয়তো ২০ টাকা বা মিষ্টির দোকানে ৪০ টাকা খরচ করি আমরা। প্রতিটা খরচ অনেক কম মনে হলেও মাসের শেষে একসঙ্গে এইগুলোই একটা বিরাট অঙ্কে পরিণত হয়।     

Continues below advertisement

আগে মানুষের হাতে গোনা কয়েকটি বড় খরচ যেমন থাকত, এখন তার বদলে হয় একাধিক ছোট ছোট লেনদেন। আর প্রতিটা লেনদেন এত দ্রুত হয়ে যায় যে আমরা এই নিয়ে কিছুই ভাবি না। এ ছাড়াও নিজের হাতে টাকা খরচ করার সময় মনে একটা ছাপ পড়ে তার। কিন্তু UPI হলে মনে সেই ছাপটা পড়ে না। আর এখানেই শুরু একটা সমস্যার।     

আরও পড়ুন: মাসে মাত্র ১০ হাজারের বিনিয়োগ, এই পদ্ধতি মানলে হাতে আসবে প্রায় ৮ কোটি টাকা!

UPI ট্র্যানজ্যাকশন হিস্ট্রি দেখলেই দেখতে পাবেন ৭ টাকা, ১৫ টাকা, ২০ টাকার অসংখ্য লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে কোনও খবরের আলাদা করে গুরুত্ব বোঝা যায় না। এ ছাড়াও প্রতিটা খরচ আলাদা করে ট্র্যাক করা অনেক বেশি সমস্যার। অন্যদিকে, হাতে নগদ টাকা থাকলে তার একটা সীমারেখা থাকে। কিন্তু UPI -তে খরচ করলে তার নির্দিষ্ট কোনও সীমা থাকে না।     

এর সমাধানও আছে, এই ক্ষেত্রে আপনাকে আপনার খরচ সাপ্তাহিক বা মোট খরচ হিসাবে দেখুন। খরচকে বিভিন্ন প্রয়োজন হিসাবে ভাগ করুন। ফলে, সচেতন থাকুন।