Work Culture: ভারতে বেশ কিছু দিন ধরেই কাজের সময় নিয়ে চর্চা চলছে। একবার নারায়ণ মূর্তি সপ্তাহে ৭০ ঘণ্টা কাজের নিদান দিয়েছিলেন, আবার সম্প্রতি এল অ্যান্ড টি চেয়ারম্যান এন সুব্রহ্মণ্যমও সপ্তাহে ৯০ ঘণ্টা কাজের কথা বলে বিতর্কে জড়িয়েছেন। তবে এই বিতর্কের মধ্যে সপ্তাহে ৪ দিন কাজের নিদান দিল ২০০ সংস্থা। ভারতে নয়, ব্রিটেনের এই ২০০ সংস্থা চালু করেছে এই নিয়ম। মূলত ওয়ার্ক-লাইফ ব্যালেন্স এবং কর্মীদের সন্তুষ্টি বাড়াতে এই নিয়ম আনা হয়েছে বলেই জানা গিয়েছে। এর মাধ্যমে বিভিন্ন সেক্টরে কর্মরত ৫০০০ কর্মী উপকৃত হবেন। মার্কেটিং, টেকনোলজি, চ্যারিটি ইত্যাদি নানা সেক্টরে কর্মরত বহু মানুষের জন্যই এই নিয়ম আনা হয়েছে ব্রিটেনে।
নতুন নিয়ম
কর্মীদের জীবনযাপনের মানোন্নতি ঘটাতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যে সমস্ত কর্মীরা সপ্তাহে ৪ দিন কাজ করবেন, তাদের মাধ্যমে দেশের প্রাচীনপন্থী অর্থনৈতিক কাঠামো ধীরে ধীরে মুছে যাবে। ফাউন্ডেশন ক্যাম্পেইন ডিরেক্টর জো রেল জানিয়েছেন যে আজ থেকে ১০০ বছর আগে এই ৯টা থেকে ৫টা কাজ করার ধারণা জন্ম নিয়েছিল। তবে এই ধারণ এখনকার যুগের জন্য একেবারেই উপযুক্ত নয়। তিনি আরও বলেন যে এই নতুন নিয়মে কর্মীরা আরও ৫০ শতাংশ বেশি সময় পাবেন, যার মাধ্যমে তারা আরও আনন্দে এবং সন্তুষ্টির সঙ্গে সময় কাটাতে পারবেন, ব্যক্তিগত জীবন কাটাতে পারবেন।
একই বেতন পাবেন
তবে সবথেকে আশ্চর্যের বিষয় হল, কাজের দিন কমে যাওয়ার পরেও কর্মীদের বেতনে কোনো পরিবর্তন হবে না। কর্মীদের বেতনে কোনো কমতি হবে না। এর মাধ্যমে কর্মীদের কোনও রকম আর্থিক চিন্তা ছাড়াই কাজ করার সুযোগ মিলবে। এই সংস্থাগুলি গুরুত্ব দিয়ে এই নিয়ম চালু করার বিষয়ে জানিয়েছে কর্মীদের। এর ফলে কর্মীরাই উপকৃত হবেন, সংস্থারও অনেক উপকার হবে।
৭০ ঘণ্টা, ৯০ ঘণ্টা কাজের নিদান
বৈশ্বিক নিরিখে এই ২০০ সংস্থার এই নয়া নিয়মের একটা বড়সড় প্রভাব পড়তে চলেছে। ভারতে বেশ কিছু সংস্থাই সাম্প্রতিক সময়ে ৭০ থেকে ৯০ ঘণ্টা কাজের নিদান দিয়েছিল কয়েকদিন আগেই। কর্মীদের কাছে ব্রিটেনের এই নিয়ম শুধু যে আরামদায়ক তাই নয়, বরং অন্যান্য দেশের কাছে ওয়ার্ক লাইফ ব্যালান্সের এ এক অন্যতম ভাল নিদর্শন।
আরও পড়ুন: Zepto : একই ক্যাপসিকাম অ্যান্ড্রয়েডে ২১, আইফোনে ১০৭ টাকা, এবার কাঠগড়ায় জেপটো !