Traders Loss Delhi CJP Protest : দিল্লিতে ককরোচদের প্রতিবাদ (Delhi CJP Protest) বড় ক্ষতির মুখে ফেলছে প্রতিষ্ঠিত বাজারগুলিকে। দিনে দেড় লাখ টাকার ক্ষতি হচ্ছে প্রতি দোকানে। এবার এই নিয়ে মুখ খুলল খান মার্কেট ব্যবসায়ী সংগঠন।

Continues below advertisement

কী বলা হয়েছে বাজার সংগঠনের তরফে১০ অক্টোবর উত্তাল চেহারা নিয়েছে দিল্লির যন্তর-মন্তর। ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিবাদকে কেন্দ্র করে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে দিল্লির বাজারে। যেকারণে আগে থেকেই দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আতঙ্কে বাজার বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেন দোকানিরা। যদিও ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, এই পরিস্থিতি বজায় থাকলে বড় ক্ষতির মুখোমুখি হবে ব্যবসায়ীরা।

এই বিষয়ে মুখ খুলেছেন, দিল্লির খান মার্কেট ব্যবসায়ী সংগঠনের সভাপতি সঞ্জীব মেহরা। তিনি বলেন,''যেহেতু প্রতিবাদীরা বাণিজ্যিক এলাকার কাছে চলে আসছিল , তাই দোকানের ক্ষতির কথা ভেবে মার্কেট বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছি আমরা। এই বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলির কাছে বিক্ষোভ কর্মসূচির কৌশল পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানাচ্ছি। ওনাদের প্রতিবাদ কর্মসূচি যেন ব্যস্ত বাজারের কাজ ক্ষতিগ্রস্ত না করে, সেদিকে নজর দেওয়া উচিত।''

Continues below advertisement

কেন এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছেসংবাদ সংস্থা ANI-কে খান মার্কেট ব্যবসায়ী সংগঠনের সভাপতি জানিয়েছেন, ককরেচদের বিক্ষোভ আন্দোলনের সময় বাজার এলাকার পরিস্থিত খুবই খারাপ হয়। বাজারের কাছাকাছি বিক্ষোভকারীদের আটক দেওয়া হলে, বাজার সবার আগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই ক্ষেত্রে খান মার্কেটের ওপর সবার আগে বিক্ষোভের আঁচ পড়ে। সেই কারণে দোকনপাট ও সম্পত্তির ক্ষতির আশঙ্কা থেকেই মার্কেট বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

কী বলেছেন মেহরা ?

মেহরা বলেন, অভিজাত বাণিজ্যিক এলাকায় দোকানের পরিচালন খরচ এমনিতেই বেশি হয়, তার ওপর ব্যবসার জায়গায় সমস্য়া তৈরি হলে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ বাড়তে থাকে। তাই দোকান খোলা থাকুক বা বন্ধ, পরিচালন ব্যয় গুণতেই হয় ব্যবসায়ীদের। বিশেষ করে খান মার্কেট, কনট প্লেস, সাউথ এক্সটেনশনের মতো এলাকার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলিকে দোকান বন্ধ থাকা সত্ত্বেও ভাড়া ও কর্মী-বেতনসহ বিপুল ব্যয়ের বোঝা বহন করতে হয়। এরফলে দিনে সব মিলিয়ে দেড় লাখ টাকার ক্ষতির মুখে পড়েন দোকানিরা। যতদিন প্রতিবাদ বিক্ষোভ এলাকায় বাড়বে,তত বড় ক্ষতির মুখে পড়বে বাজার।   

 

   

 

আরও পড়ুন : আমেরিকায় ভারতীয় আইটি কর্মীদের জন্য বড় ধাক্কা ! TCS, ইনফোসিস সহ বহু কোম্পানিকে গ্রিন কার্ড প্রোগ্রাম থেকে সাসপেন্ড