Donald Trump: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আরও ৬টি দেশকে শুল্কের চিঠি পাঠিয়েছেন ইতিমধ্যেই। এই দেশগুলির মধ্যে রয়েছে আলজিরিয়া, ইরাক, লিবিয়া, শ্রীলঙ্কা, ফিলিপাইনস। ভারতের পড়শি দেশ বাংলাদেশের উপর আগেই শুল্ক আরোপ (Trump Tariff) হয়েছে, এবার শ্রীলঙ্কাও পড়ল এই শুল্কের কোপে। রয়টার্সের তথ্য অনুসারে, আলজিরিয়া, ইরাক, লিবিয়া ও শ্রীলঙ্কার উপরে ৩০ শতাংশ করে কর আরোপ করা হয়েছে। আর ব্রুনেই ও মলডোভা দেশের উপরে ২৫ শতাংশ করে কর আরোপ করা হয়েছে। অন্যদিকে ফিলিপাইনসের উপরে আরোপ করা হয়েছে ২০ শতাংশ কর।

এই বিবৃতি ঘোষণার মধ্য দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন যে মোট ৭টি দেশ আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্কে যুক্ত রয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প (Trump Tariff) এক্স হ্যান্ডলে পোস্টের মাধ্যমে জানান যে, প্রথম দফায় সাতটি দেশের নাম প্রকাশ করা হয়েছে যারা বাণিজ্য সম্পর্কে যুক্ত হবে আমেরিকার সঙ্গে, তাদের উপর শুল্ক আরোপ করা হবে। বাকি দেশগুলির নাম প্রকাশ করা হবে বিকেলের দিকে।

১৪টি দেশকে আমেরিকার শুল্ক চিঠি

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যেই ১৪টি দেশকে শুল্কের চিঠি পাঠিয়ে দিয়েছে, এর মধ্যে তালিকায় রয়েছে জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, মায়ানমার, লাওস, কাজাকিস্তান, মালয়েশিয়া। এই দেশগুলির উপরে আমদানি শুল্ক হিসেবে ২৫ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কর আরোপ (Trump Tariff) করা হয়েছে। আর এদের মধ্যে মায়ানমার ও লাওসে সবথেকে বেশি শুল্ক আরোপিত হয়েছে ৪০ শতাংশ আর দক্ষিণ আফ্রিকায় ৩০ শতাংশ শুল্ক আরোপিত হয়েছে।

অন্যান্য দেশগুলির মধ্যে রয়েছে তিউনিশিয়া, বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া, কম্বোডিয়া, বসনিয়া এবং হার্জিগোভিনিয়া, সার্বিয়া ও থাইল্যান্ড। এক্ষেত্রেও শুল্ক আরোপ করা হয়েছে ২৫ থেকে ৩৬ শতাংশ। সংবাদসূত্রে জানা গিয়েছে, বিশ্লেষকদের অনেকের মতেই এশিয়ার দেশগুলিই প্রাথমিক লক্ষ্যবস্তু মার্কিনি শুল্কের। তবে সকলের নজর রয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (Trump Tariff) সহ প্রধান অংশীদারদের উপরে যারা এখনও মার্কিনি শুল্কের চিঠি পায়নি। মার্কিন প্রেসিডেন্টের নেতৃত্বাধীন প্রশাসন আরও বাণিজ্য চুক্তি প্রকাশের জন্য চাপে রয়েছে, এখনও পর্যন্ত ওয়াশিংটন কেবল ব্রিটেন ও ভিয়েতনামের সঙ্গেই বাণিজ্য চুক্তি করেছে। চিনের সঙ্গে একইরকম শুল্ক কমানোর চুক্তি করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

অন্যদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতের প্রতিবেশি বাংলাদেশের উপরে ৩৫ শতাংশ কর আরোপ করেছেন যার ফলে বাংলাদেশের বস্ত্রশিল্প সঙ্কটের মুখে রয়েছে আর ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের কারণে লাভ হতে পারে ভারতের বস্ত্রশিল্পের দুনিয়ায়।