Continues below advertisement

India US Trade Deal : অন্যের 'ক্ষতি করতে গিয়ে' নিজের দেশেই ক্ষোভের শিকার হচ্ছিলেন তিনি। যার ফলে এবার ভারতের ২০০টিরও বেশি পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক (Trump Tariff) তুলে দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। অর্থনীতির বিশ্লেষকরা বলছেন, ভারত থেকে আমদানি করা জিনিসে বিপুল শুল্ক চাপানোয় আমেরিকায় সেই পম্যের দাম বেড়ে যাচ্ছিল। যা নিয়ে আমেরিকাতেই ক্ষোভের মুখে পড়ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট, তাই এই সিদ্ধান্ত।    

কেন এই ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ অগাস্টে ভারতের উপর ৫০% শুল্ক আরোপ করেন ট্রাম্প। এর মধ্যে ২৫% রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল কেনার জন্য জরিমানা হিসেবে আরোপ করা হয়েছিল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত এই শুল্ক কাপড় থেকে শুরু করে চামড়া, গয়না ও সামুদ্রিক খাবার পর্যন্ত শিল্পগুলিকে প্রভাবিত করেছে। তবে, ট্রাম্প নভেম্বরের মধ্যে ২০০টিরও বেশি কৃষি ও কৃষিজাত পণ্যের উপর আমদানি শুল্ক কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এতে ভারতীয় রফতানির ক্ষেত্রে নতুন করে আশা তৈরি হয়েছে।

Continues below advertisement

ট্রাম্প কোন পণ্যে অব্যাহতি দিয়েছেন ?১ চা, কফি রয়েছে সবার আগে২ এ ছাড়াও হলুদ, আদা, দারুচিনি, এলাচ, কালো , গোল মরিচ, লবঙ্গ ও জিরা জাতীয় মশলা।৩ এই ছাড়ে নাম রয়েছে কাজুর মতো আরও অনেক ধরনের বাদাম বা গাছের বাদাম।৪ প্রক্রিয়াজাত খাবার, সব ধরনের মৌসুমি ফল, ফলের পাল্প, ফলের রস ইত্যাদি।

দুজনের মধ্যে বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও আলোচনা চলছেফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান এক্সপোর্ট অর্গানাইজেশন (FIEO) জানিয়েছে, আমদানি শুল্ক অব্যাহতি ভারতীয় রফতানিকে প্রায় ২.৫-৩ বিলিয়ন ডলারের লাভ দিতে পারে। এই পদক্ষেপকে ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির চলমান আলোচনায় একটি ইতিবাচক সংকেত হিসেবেও দেখা যেতে পারে।

কোন পণ্য়ে ছাড় নেইতবে, চিংড়ি, বাসমতি চাল, রত্ন ও গয়না এবং পোশাকের ক্ষেত্রে বর্তমানে কোনও ছাড় নেই; এই পণ্যের উপর সম্পূর্ণ শুল্ক বহাল থাকবে। ট্রাম্প এই তালিকা থেকে বেশ কিছু তাজা এবং লেবুজাতীয় ফল এবং কলাও বাদ দিয়েছেন, তাই অনেক বিশেষজ্ঞ এই ছাড়ের সুযোগ সীমিত বলে মনে করেন।

ট্রাম্প কেন এই সিদ্ধান্ত নিলেন ?ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের পিছনে রয়েছে অনেক কারণ। সেই কারণে নির্বাচিত পণ্যের উপর শুল্ক তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। অর্থনীতির বিশেষজ্ঞরা বলছেন,ভারতের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক চাপানোর ফলে মার্কিন বাজারে অনেক পণ্যের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গেছে। এর ফলে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ বাড়ছিল। ভারতের রফতানি করা খাদ্য ও পানীয় কিনতে তাদের আগের চেয়ে বেশি ব্যয় করতে হচ্ছিল। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত।