Gold Price : একদিনে দু-বার বদল হল সোনার দামে (Gold Price Today)। সকালের পর বিকেলে বদলে গেল গোল্ড রেট (Gold Rate)। দুপুর তিনটের পর কমেছে সোনার দাম। এখন রাজ্যে কিনলে কত কমে পাবেন সোনা (Gold Investment) ?

শীতের আবহে বিয়ের মরশুমে ছুট দিতে পারে সোনার দাম। অন্তত তেমনই মনে করছেন বাজার বিশেষজ্ঞরা। যদিও এরই মধ্যে কমতে দেখা যাচ্ছে গোল্ড রেট। আজ লক্ষ্মীবারে ফের সোনার দামে বদল। কততে পাবেন এখন ? 

সোনা মাত্রই শুভ। যে কোনওদিনই সোনা কেনা যায়। তবে যেদিন সোনা কিনছেন, সেদিন সোনার দাম কত, দেখে নিন। তারপর দোকানের দাম যাচাই করুন। দেখে নিন আজ সোনার দাম কত। বাংলায় সোনার দাম আজ কত, তা জানতে চোখ রাখুন নিচের চার্টে। আজ, বুধবার, ১৯ নভেম্বর, ফের কি কমল দাম? দেখে নিন নিচের রেটচার্ট। এই রেট চার্ট  বাংলার জন্যই বরাদ্দ। 

আজকের সকালের সোনার দাম ( ১৯ নভেম্বর ২০২৫)                  

সোনাওজনদাম (টাকায়)
২৪ ক্যারেট (Fine Gold 995)১ গ্রাম১২২৬৫
২২ ক্যারেট (কিনতে গেলে)১ গ্রাম১১৬৫০
২২ ক্যারেট (বেচতে গেলে)১ গ্রাম১১১৬০
১৮ ক্যারেট১ গ্রাম৯৫৭০
রুপো (৯৯৯)১ কেজি১৫৫৪৩৬

 

আজকের বিকেলের সোনার দাম ( ১৯ নভেম্বর ২০২৫)                  

সোনাওজনদাম (টাকায়)
২৪ ক্যারেট (Fine Gold 995)১ গ্রাম১২৩৬৯
২২ ক্যারেট (কিনতে গেলে)১ গ্রাম১১২৫৫
২২ ক্যারেট (বেচতে গেলে)১ গ্রাম১১৭৫০
১৮ ক্যারেট১ গ্রাম৯৬৫০
রুপো (৯৯৯)১ কেজি১৫৮৭৯৫

*ওপরের রেটগুলি 3% GST ছাড়া দেওয়া হয়েছে

*১৯৯৩ সালে তৈরি হয় স্বর্ণশিল্প বাঁচাও কমিটি। গোটা রাজ্যেই কার্যকর এই সংগঠন। স্বর্ণশিল্পী এবং স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের নিয়ে এই সংগঠনের কার্যকলাপ। বর্তমানে এর কার্যনির্বাহী সভাপতি সমর কুমার দে। 

মনে রাখবেন, সোনার বিশুদ্ধতা সাধারণত ক্যারেটে মাপা হয়। কত ক্যারেটের সোনা (Gold Price Today) কিনছেন, দেখে নিন। প্রতি ক্যারেটের দাম আলাদা।  সোনার দাম: যেদিন সোনা কিনছেন, সেদিন সোনার দাম কত, দেখে নিন। তারপর দোকানের দাম যাচাই করুন। গয়না কেনার ক্ষেত্রে বাই-ব্যাক পলিসি জেনে রাখা জরুরি।  সেলস পার্সনদের থেকে নিশ্চিত হয়ে নিন,  ভবিষ্যতে এই সোনা জুয়েলার্সের কাছে বিক্রি করলে কতটা অর্থ ফেরত পাবেন।

সোনার আমদানি মূল্য কমিয়েছে সরকার

বর্তমানে সরকার সোনা ও রূপার মূল আমদানি মূল্য প্রতি ১০ গ্রামে ৪২ ডলার ও রূপার বেস আমদানি মূল্য প্রতি কেজিতে ১০৭ ডলার কমিয়েছে। বিশ্ব বাজারে সোনা ও রূপার দামের চলমান ওঠানামার মধ্যে অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যকে উৎসাহিত করতে ও দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে

আমদানির উপর শুল্ক গণনা করার জন্য বেস প্রাইস ব্যবহার করা হয়। মূল আমদানি মূল্য প্রতি ১৫ দিন অন্তর আপডেট করা হয়। বেস প্রাইস কমানোর মাধ্যমে সরকার আমদানিকারকদের উপর করের বোঝা কমিয়ে দেয়, যা অভ্যন্তরীণ বাজারে দাম স্থিতিশীল করতেও সাহায্য করতে পারে।