Benefits of Garlic : শীত এলে আপনার দারুণ কাজে লাগতে পারে রান্নাঘরের এই সামান্য জিনিস। সহজেই পাওয়া গেলেও সাধারণ এই উপাদান দেয় অসাধারণ কাজ। পতঞ্জলি আয়ুর্বেদের আচার্য বালকৃষ্ণ বলেছেন এর ওষুধি গুণের কথা।

কেন শীতে রসুন খাওয়া উপকারীভারতবাসীর কাছে শীত আসার সঙ্গে সঙ্গে খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। এই ঋতুতে রান্নাঘরে পাওয়া উপাদানগুলি শরীরকে গরম রাখতে ও রোগ থেকে রক্ষা করতে ওষুধের মতো কাজ করে। পতঞ্জলি যোগপীঠের আচার্য বালকৃষ্ণ সম্প্রতি রসুন সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, রসুন কেবল একটি মশলা নয় যা খাবারের স্বাদ বাড়ায়, শীতকালে এটি শরীরের জন্য আশীর্বাদের মতো কাজ করে।

হৃদপিণ্ড ও জয়েন্টের স্বাস্থ্যের জন্য দারুণ কাজ করেআচার্য বালকৃষ্ণের মতে, যদি রসুন সঠিকভাবে খাওয়া হয়, তবে এটি হৃদপিণ্ডের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এটি রক্তে জমে থাকা খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে ও হৃদপিণ্ড সম্পর্কিত রোগের ঝুঁকি কমায়। এছাড়াও, শীতকালে অনেকেই জয়েন্টে ব্যথা এবং শক্ত হয়ে যাওয়ার অভিজ্ঞতা পান। রসুন খেলে এই সমস্যাগুলি থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিকারী ও শরীরের দূষণ রোধ করেশীতকালে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ে, যার ফলে শরীর ঠান্ডা ও ফ্লুতে আক্রান্ত হয়। রসুন শরীর গরম রাখতে সাহায্য করে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। আচার্য জি বলেছেন, এটি শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূষণ করতে ও রক্ত ​​সঞ্চালন ভারত করতেও সাহায্য করে।

রসুন খাওয়ার সঠিক উপায়রসুনের সর্বাধিক উপকারিতা পাওয়ার জন্য আচার্য বালকৃষ্ণ নিম্নলিখিত পদ্ধতিগুলি পরামর্শ দিয়েছেন:

রাতে ভিজিয়ে রাখা:১-২টি রসুনের কোয়া খোসা ছাড়িয়ে সারারাত জলে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে খালি পেটে এই জল পান করুন অথবা লবঙ্গ চিবিয়ে খান। কোলেস্টেরল ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে এই পদ্ধতি সবচেয়ে কার্যকর।

গরম জলের সঙ্গে খান:আপনি সকালে খালি পেটে ১-২টি কাঁচা রসুনের কোয়া হালকা গরম জলের সঙ্গে খেতে পারেন।

ব্যথা উপশমের জন্য রসুনের তেলজয়েন্টে ব্যথা, ফোলাভাব বা পেশি শক্ত হওয়ার জন্য আচার্য জি রসুনের তেল দিয়ে ম্যাসাজ করার পরামর্শ দেন। 

কীভাবে করবেন এই কাজ ৫০ গ্রাম রসুন গুঁড়ো করুন।১০০-২০০ গ্রাম সর্ষে, নারকেল বা জলপাই তেল দিয়ে রান্না করুন।রসুন কালো হয়ে গেলে ছেঁকে তেল রেখে দিন।এই তেল দিয়ে ব্যথার জায়গায় ম্যাসাজ করলে উল্লেখযোগ্য উপশম হয়। এটি স্নায়ুতন্ত্রকে শক্তিশালী করে ও বাত দোষের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।