সোনা কেনা বাঙালির জীবনে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। তাই কেনার ইচ্ছা থাক বা না থাক, সোনার দাম বাড়লে যেমন কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়ে, সস্তা হলে তেমনই মন খুশিতে ভরে ওঠে।  ধনতেরসে সোনার  দাম কমেছে। তারপর দীপাবলিতেও।  ২১ অক্টোবর, কলকাতায় সোনা প্রতি গ্রাম কত দামে কিনবেন, জেনে নিন। সোনার মান অনুসারে দাম আলাদা - আলাদা। সেই সঙ্গে বেচা ও কেনার দামও পৃথক। আর তা প্রতিদিনই পরিবর্তিত হয়।  

২০২৫ সালে বিশ্বব্যাপী সোনার দাম ৫০ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে, যা প্রতি আউন্স ৪,০০০ ডলারের সীমা অতিক্রম করেছে এবং ৩৫টিরও বেশি নতুন রেকর্ড স্থাপন করেছে। মতিলাল ওসওয়াল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড (MOFSL) এর বিশ্লেষকরা আশা করছেন যে এই উত্থান অব্যাহত থাকবে, আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম আরও বেড়ে প্রতি আউন্স ৪,৫০০ ডলারে পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে । 

আজকের সোনার দাম (২১ অক্টোবর, ২০২৫)                 
সোনাওজনদাম (টাকায়)
২৪ ক্যারেট (Fine Gold 995)১ গ্রাম১৩০১৪
২২ ক্যারেট (কিনতে গেলে)১ গ্রাম১২৩৬৫
২২ ক্যারেট (বেচতে গেলে)১ গ্রাম১১৮৪২
১৮ ক্যারেট১ গ্রাম১০১৫০ 
রুপো (৯৯৯)১ কেজি ১৬৯৭৫৭

*১৯৯৩ সালে তৈরি হয় স্বর্ণশিল্প বাঁচাও কমিটি। গোটা রাজ্যেই কার্যকর এই সংগঠন। স্বর্ণশিল্পী এবং স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের নিয়ে এই সংগঠনের কার্যকলাপ। বর্তমানে এর কার্যনির্বাহী সভাপতি সমর কুমার দে। 

আপনার শহরে সোনার দাম (গুড রিটার্নের অনুসারে) 

দিল্লিতে সোনার দাম (প্রতি ১০ গ্রাম)

২৪ ক্যারেট - ১,৩০,৮৪০ টাকা ২২ ক্যারেট - ১,১৯,৯৫০ টাকা ১৮ ক্যারেট - ৯৮,১৭০ টাকা

মুম্বইয়ে সোনার দাম (প্রতি ১০ গ্রাম)

২৪ ক্যারেট - ১,৩০,৬৯০ টাকা ২২ ক্যারেট - ১,১৯,৮০০ টাকা ১৮ ক্যারেট - ৯৮,০২০ টাকা

চেন্নাইয়ে সোনার দাম (প্রতি ১০ গ্রাম)

২৪ ক্যারেট - ১,৩০,০৪০ টাকা ২২ ক্যারেট - ১,১৯,২০০ টাকা ১৮ ক্যারেট - ৯৮,৫০০ টাকা

আহমেদাবাদে সোনার দাম (প্রতি ১০ গ্রাম)

২৪ ক্যারেট - ১,৩০,৭৪০ টাকা ২২ ক্যারেট - ১,১৯,৮৫০ টাকা ১৮ ক্যারেট - ৯৮,০৭০ টাকা

লখনউ-তে সোনার দাম (প্রতি ১০ গ্রাম)

২৪ ক্যারেট - ১,৩০,৮৪০ টাকা ২২ ক্যারেট - ১,১৯,৯৫০ টাকা ১৮ ক্যারেট - ৯৮,১৭০ টাকা

আজও সারা দেশে দীপাবলি পালন করা হচ্ছে। দীপাবলির দিনে সোনার দামের পতনে মানুষের মুখে হাসি ফুটেছে। অনেকেই এই দিনে সোনা, রুপো কেনা শুভ মনে করেন এবং এই দিনেও ধনতেরাসের মতোই এদিনো সোনা কেনার রীতি আছে। 

ভারতে সোনা এবং রুপো কেনা রীতির অঙ্গ।   গত কয়েক বছর ধরে এর চাহিদা বজায় রয়েছে। বিনিয়োগকারীরাও  একটি নিরাপদ বিকল্প হিসেবে দেখেন এবং এতে বিনিয়োগ করেন। এই কারণেই, ভারতে সোনা এবং রুপোর চাহিদা বজায় থাকে।