Auto : হোলি মানেই রঙের উৎসব, আর এই উৎসবের আমেজ গায়ে মেখে ভারতের গাড়ি বাজারেও লেগেছে নতুন রঙের ছোঁয়া। সাদা বা রুপোলি রঙের ক্ল্যাসিক পছন্দের বাইরে বেরিয়ে টাটা (Tata), কিয়া (Kia), রেনল্ট (Renault) এবং স্কোডার (Skoda) মতো কোম্পানিগুলো নিয়ে এসেছে দুর্দান্ত সব কালার অপশন।
এই হোলিতে আপনার পছন্দের গাড়িগুলো কী কী নতুন রঙে সেজেছে, দেখে নিন একনজরে:
টাটা সিয়েরা (Tata Sierra)আইকনিক টাটা সিয়েরা নতুন অবতারে ফেরার পাশাপাশি তার কালার প্যালেটেও এনেছে চমক।
আন্দামান অ্যাডভেঞ্চার (Andaman Adventure): এটি একটি উজ্জ্বল হলুদ রং যা রাস্তাঘাটে সবার নজর কাড়তে বাধ্য।
বেঙ্গল রুজ (Bengal Rouge): আভিজাত্যে ঘেরা একটি গভীর মেরুন শেড।
কুরগ ক্লাউড (Coorg Cloud): এটি একটি শান্ত ও স্নিগ্ধ ধূসর রঙের শেড।
কিয়া সেল্টোস (Kia Seltos)কিয়া সেল্টোস সবসময়ই স্টাইলিশ রঙের জন্য পরিচিত। এবার তাদের কালেকশনে ১০টিরও বেশি অপশন থাকলেও বিশেষ নজর কেড়েছে:
ম্যাগমা রেড (Magma Red): কালো ছাদের (Aurora Black Pearl roof) সাথে এই লাল রঙের কম্বিনেশনটি অত্যন্ত স্পোর্টি।
ফ্রস্ট ব্লু ও আইভরি সিলভার গ্লস: যারা একটু মার্জিত কিন্তু আধুনিক রঙ পছন্দ করেন, তাদের জন্য এই দুটি অপশন সেরা।
এক্স-লাইন ট্রিমে পাওয়া যাচ্ছে সেই চিরচেনা ম্যাট গ্রাফাইট (Matte Graphite)।
রেনল্ট ডাস্টার (Renault Duster)নতুন প্রজন্মের ডাস্টার আসছে অ্যাডভেঞ্চার প্রেমীদের কথা মাথায় রেখে। এর মোট ৬টি রঙের মধ্যে বিশেষ হল:
জেড মাউন্টেন গ্রিন (Jade Mountain Green): পাহাড় বা জঙ্গলের পথে ভ্রমণের মেজাজ ফুটিয়ে তুলতে এই সবুজ রঙটি অনন্য।
অন্যান্য রঙের মধ্যে রয়েছে সানসেট রেড, রিভার ব্লু এবং স্টিলথ ব্ল্যাক।
স্কোডা কুশাক (Skoda Kushaq)কুশাকের আপডেট মডেলে যোগ হয়েছে তিনটি নতুন এবং আকর্ষণীয় রং:
শিমলা গ্রিন (Shimla Green): এটি একটি ডিফারেন্ট শেড যা কুশাকের নতুন লুকের সাথে দারুণ মানানসই।
চেরি রেড (Cherry Red): সাধারণ লালের চেয়ে এটি কিছুটা গাঢ় এবং প্রিমিয়াম ফিনিশ দেয়।
স্টিল গ্রে (Steel Grey): যারা একটু ক্লাসি স্মার্ট লুক পছন্দ করেন, তাদের জন্য এটি আদর্শ।
ফেসলিফ্টয়ের সঙ্গে সঙ্গে দামও কমে গিয়েছে, এমন সম্ভবত অটোমোবাইল ইন্ডাস্ট্রির ইতিহাসে আগে দেখা যায়নি। কিন্তু টাটার পাঞ্চ ইভি হল এমন এক গাড়ি যার দাম ফেসলিফ্টয়ের সঙ্গে সঙ্গে কমে গিয়েছে। আর এর কারণ হয়তো একটাই, টাটা এই মুহূর্তে পাঞ্চ ইভিকেই পাখির চোখ করছে। ও চাইছে এই গাড়ির বিক্রি যাতে আরও বেশি হয়। যদিও পাঞ্চ ইভির এই ফেসলিফ্ট ছোট কোনও বদল নয়।
৯ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা থেকে শুরু হয় পাঞ্চ ইভির দাম। এই দাম পাঞ্চ ইভির আগের মডেলের থেকে অনেকটাই কম। যদিও এই গাড়ির টপ মডেলের দাম ১২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। যা আগের গাড়ির থেকে কিছুটা হলেও সস্তা। এ ছাড়াও এই গাড়িতে দেওয়া ৩০ বা ৪০ কিলোওয়াট পার আওয়ারের ব্যাটারি প্যাক রয়েছে। এ ছাড়াও এই গাড়িতে রয়েছে ৪৬৮ কিলোমিটারের রেঞ্জ ও আজীবন ব্যাটারির ওয়ারেন্টি। এক কথায় পয়সা উসুল অফার বলাই যায়।
