কলকাতা : প্রথম দফায় চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হয়ে গেছে। রাজ্যে জোরকদমে চলছে ভোটের প্রস্তুতি। সূত্রের খবর, ১৫ অথবা ১৬ মার্চ এরাজ্যে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতে পারে। এবার ভোট ঘোষণার আগেই রাজ্য়ে চলে এসেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। বিভিন্ন জেলায় ইতিমধ্য়েই রুটমার্চও শুরু করেছেন তাঁরা। প্রথম দফায় রাজ্য়ে এসেছে ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। দ্বিতীয় দফায় আসার কথা আরও ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর।
সবথেকে বেশি বাহিনী কলকাতায়
মোট ৩৫টি জেলা ও পুলিশ জেলায় মোতায়েন থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। আর সবথেকে বেশি বাহিনী মোতায়েন থাকছে কলকাতায়। নজিরবিহীনভাবে ভোট ঘোষণার আগে বাহিনী রাজ্যে চলে আসায় রাজনীতির পারদ এখন সপ্তমে। এই পরিস্থিতিতেই ভোটের প্রস্তুতিতে আরও কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছে কমিশন। কেন্দ্রীয় বাহিনীর ব্যবহার নিয়েও কড়া বার্তা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
বুথে বুথে কড়া নজর
ভোটের প্রস্তুতি তুঙ্গে। এবার নজর দারি হবে বাইরে থেকেও। বুথের ভিতরে ও বাইরে সিসিটিভি বসাতে হবে। বুথে সিসিটিভি ওয়েবকাস্ট ব্যবস্থা আগেই ছিল। তবে এবার বাইরেও বসানো হবে সিসিটিভি, যাতে কোনওরকম বিধিভঙ্গ না হয়। ওই সিসিটিভি ক্রমাগত মনিটরিং করা হবে ও রিপোর্ট জমা দিতে হবে । এতে বুথে বুথে কড়া নজর রাখা যাবে। কমিশনের ব্যখ্যা এর ফলে বুথের ভিতরে ও বাইরে যেখানেই গন্ডগোল হবে সেই বুথ নিয়ে ব্যবস্থা নেবে কমিশন। এছাড়াও বুথের বাইরে থেকে পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে থাকবেন মাইক্রোওবসার্ভাররা।
বুথে বুথে কড়া নজর
বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই প্রাক প্রস্তুতিতেই স্পষ্ট , যে এবার আরো কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে কমিশন। কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে ও কোনো অভিযোগ বরদাস্ত করা হবে না বলেও স্পষ্ট বার্তা নির্বাচন কমিশনের। এবার কেন্দ্রীয় বাহিনীর ব্যবহার নিয়েও কড়া সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। 'কেন্দ্রীয় বাহিনী যেন কারও আতিথেয়তা না নেয়', বুথে বুথে নজর রেখে কড়া বার্তা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
কেন্দ্রীয় বাহিনী তরজা
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর কাছে এরাজ্য়ের বিভিন্ন জেলা অপরিচিত। ফলে এলাকা চিনতে তাদের ভরসা করতে হয় পুলিশের ওপরই। আর, ভোট ঘোষণার আগে অবধি আইনশৃঙ্খলা রাজ্য় প্রশাসনের হাতে। ফলে কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্য়ে চলে এলেও, তাদের ঠিকমতো কাজে লাগানো হবে তো? সেই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।