India China Trade :  বন্ধু দেশের পাশাপাশি ‘শত্রু দেশ’ থেকেও অনেক পণ্য কেনে ভারত। জানলে অবাক হবেন, এই তালিকায় রয়েছে অনেক নাম। সম্পর্কের টানাপোড়েন সত্ত্বেও যুদ্ধের মতো পরিস্থিতি তৈরি না হওয়া পর্যন্ত দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক শেষ হয় না। জেনে নিন, এই শত্রু দেশগুলি থেকে কী কিনে ভারত।

India Pakistan Conflict : পাকিস্তান থেকে কী কেনে ভারতরক সল্ট : ভারত মূলত রক সল্টের জন্য পাকিস্তানের উপর নির্ভরশীল, বিশেষ করে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে কাজে লাগে এই নুন। পাকিস্তানের খেওড়া খনি থেকে আসা এই লবণ প্রতিটি ভারতীয় রান্নাঘরের একটি অংশ। তবে, ২০১৯-২০ সাল থেকে ভারত সৌদি আরব থেকেও এটি আমদানি শুরু করেছে।

মুলতানি মাটি: ভারত পাকিস্তান থেকে মুলতানি মাটি আমদানি করে, যা প্রসাধনীতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। এটি ত্বকের সমস্যা ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।

চামড়া ও তুলো: ভারত পাকিস্তান থেকে প্রচুর পরিমাণে চামড়াজাত পণ্য ও কাঁচা তুলো আমদানি করে। এই পণ্যগুলি ভারতীয় বস্ত্র ও চামড়া শিল্পের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ২০২২ সালে ভারত-পাকিস্তান বাণিজ্য ছিল ২.৫ বিলিয়ন ডলার।

ফলমূল ও শুকনো ফল: তরমুজের মতো তাজা ফল ও শুকনো ফল (বাদাম, কিশমিশ) পাকিস্তান থেকে প্রচুর পরিমাণে ভারতে আসে। এগুলি কাশ্মীর হয়ে দিল্লির বাজারে পৌঁছায়।

India Trade : তুরস্ক থেকে কী আনে ভারতভারত তুরস্ক থেকে হাতে তৈরি কার্পেট, মোজাইক ল্যাম্প ও টাইলস আমদানি করে। এগুলি দিল্লির হজ খাস ও মুম্বাইয়ের কোলাবার মতো বাজারে বিক্রি হয়।

তুরস্ক থেকে জলপাই তেল, শুকনো ফল (আখরোট, বাদাম, হ্যাজেলনাট) ও চেরি ভারতে আসে। বড় শহরগুলির সুপারমার্কেটে এগুলোর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

চিন থেকে কী কেনে ভারতভারত চিন থেকে টেলিভিশন, সাউন্ড রেকর্ডার ও খুচরো যন্ত্রাংশের মতো ইলেকট্রনিক পণ্য আমদানি করে। ২০২১-২২ সালে ৩,০০০ কোটি ডলার মূল্যের ইলেকট্রনিক্স আমদানি করা হয়েছিল, যা মোট আমদানির ৭০%। এটি ভারতের প্রযুক্তিগত প্রয়োজনীয়তা পূরণ করে।

India Bangladesh Deal : বাংলাদেশ থেকে কী কেনেভারত বাংলাদেশ থেকে টেক্সটাইল ও রাসায়নিক পণ্য আমদানি করে, যা ফ্যাশন শিল্পের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের টেক্সটাইল শিল্প ভারতের জন্য একটি অর্থনৈতিক উৎস। এই বাণিজ্য দুই দেশের মধ্যে শক্তিশালী অর্থনৈতিক সম্পর্ককে প্রতিফলিত করে।