IMF News Update : বিশ্ব অর্থনীতির (World Economy)দোলাচলেরসময় ভারতের ওপর ভরসা রাখছে আন্তর্জাতিক মহল। খোদ ভারতের অর্থনীতির বৃদ্ধির বিষয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক মুদ্ধা তহবিল (IMF)। ভারত সম্পর্কে কী বলছে IMF-এর ম্যানেজমেন্ট ডিরেক্টর ?
ভারতের অর্থনীতি নিয়ে দরাজ শংসাপত্র IMF-এর
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ম্যানেজমেন্ট ডিরেক্টর ক্রিস্টালিনাজর্জিভা ভারতকে বিশ্ব অর্থনীতির একটি প্রধান আর্থিক বৃদ্ধির ইঞ্জিন হিসাবে বর্ণনা করেছেন। তার বক্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে, যখন বিশ্বজুড়ে দেশগুলি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ডট্রাম্পের আরোপিত শুল্কের মুখোমুখি হচ্ছে। আগামী সপ্তাহে ওয়াশিংটনেরআইএমএফ ও বিশ্বব্যাঙ্কের বার্ষিক বৈঠকের আগে জর্জিভা বলেছেন, গত কয়েক বছর ধরে বিশ্বব্যাপী বৃদ্ধির ধরনগুলি পরিবর্তিত হচ্ছে। এই সময়কালে, চিনের বৃদ্ধির হার হ্রাস পেয়েছে, যেখানে ভারত একটি বড় বৃদ্ধির ইঞ্জিন হিসাবে উদ্ভূত হচ্ছে।
IMF News Update : বৈশ্বিক অর্থনীতির আরও ভাল পারফরম্যান্স
মিল্কেন ইনস্টিটিউটে বক্তব্য রাখতে গিয়ে জর্জিভা বলেছেন, বিশ্ব অর্থনীতি এখন ভয়ের থেকে ভাল পারফর্ম করছে। তবে আমাদের যা প্রয়োজন, তার থেকে খারাপ পরিস্থিতি রয়েছে। তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মতো অন্যান্য উদীয়মান অর্থনীতির প্রত্যাশিতপারফরম্যান্সের কারণে চলতি বছর ও পরের বছর বৃদ্ধির হারের গতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে না। এই বলেই অবশ্য থেমে থাকেননি জর্জিভা। তিনি আরও বলেছেন, অনেক দেশের আর্থিক নীতি, বেসরকারি খাতের সংস্থাগুলির ফ্লেক্সিবিলিটি ও অতিরিক্ত শুল্কের পরও সীমিত প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতির একাধিক গুরুতর ধাক্কাকে প্রতিরোধ করেছে।
অতিরিক্ত শুল্কের চাপের মধ্যে অর্থনীতি স্থিতিশীল
জর্জিভার এই বক্তব্য এমন একটা সময়ে এসেছে যখন ট্রাম্পের অতিরিক্ত ট্যারিফের মুখোমুখি হয়েছে ভারত। যা সত্ত্বেও বিশ্বের অর্থনীতির স্তম্ভ হিসাবে দেখা হচ্ছে মোদির ভারতকে। এখনও অবধি, বিশ্বের বিভিন্ন দেশগুলি টিট-ফর ট্যাট ট্রেড ওয়ার্সএড়িয়ে চলেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় পণ্য আমদানিতে 50% শুল্ক আরোপ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ট্রাম্প, যা বিশ্বব্যাপী অনিশ্চয়তার আর্থিক পরিবেশ তৈরি করে।
IMF News Update : কত শতাংশ বৃদ্ধির আশা করছে IMF
মার্কিন প্রেসিডেন্টের তরফে বলা হয়েছে, এই ৫০ শতাংশ শুল্কের মধ্যে ২৫ শতাংশ রাশিয়া থেকে তেল কেনার জন্য জরিমানা হিসাবে নেওয়া হচ্ছে ভারতীয় কোম্পানিগুলির থেকে। আইএমফ প্রধানের মতে, বর্তমানে এই শুল্কের পরিণতি আশঙ্কাজনকভাবে তীব্র হয়নি। তবে এই শুল্কের সম্পূর্ণ প্রভাব এখনও বিশ্ব অর্থনীতিতে দেখা যায়নি। জর্জিভার ধারণা, বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক বৃদ্ধি এই বছর 3 শতাংশ হবে।
