কলকাতা: মাসখানেক আগেই DPI বা ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার নিয়ে আমাদের দেশ আরও ২৩ টি দেশের সঙ্গে একটি MoU বা মেমোরান্ডম অফ আন্ডারস্ট্যান্ডিং সই করেছে। কিন্তু ভারতের এই ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার (DPI) আসলে কী? সেটা আমার, আপনার মতো সাধারণ মানুষের কাছে কেন খুবই দরকারি জানেন কি?                

Continues below advertisement

ভারতের ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার বা DPI যা পরিচিত India Stock নামেই। বর্তমানে দেশের প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থার অন্যতম স্তম্ভ হয়ে গিয়েছে এই India Stack। ভারতের Press Information Bureau বলছে এই ডিজিটাল পরিকাঠামো দেশের মানুষের জন্য এমন এক প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে, যেখানে পরিচয় পত্র, ডিজিটাল পেমেন্ট ও বিভিন্ন নথিপত্রের পরিষেবা একসঙ্গে কাজ করে। Aadhaar, UPI (Unified Payment Interface) কিংবা UMANG অ্যাপ -এর মতো ব্যবস্থা এই ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচারের অধীনে আসে।           

সহজ ভাষায় বলতে গেলে, ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার (DPI) হল এমন এক ডিজিটাল ইকোসিস্টেম, যা সরকারের বিভিন্ন পরিষেবা দেশের সব মানুষের কাছে একসঙ্গেই পৌঁছে দেয়। এর ফলে, আলাদা আলাদা করে আলাদা আলাদা সিস্টেমের উপর নির্ভর করতে হয় না মানুষকে।                

Continues below advertisement

ভারতের এই ডিজিটাল ইকোসিস্টেমের সব থেকে ভাল সুবিধা পাচ্ছেন গ্রামের মানুষরা। কারণ, বিভিন্ন সরকারি ভর্তুকির জন্য যেখানে আগে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইন দিতে হত, সেখানে এখন বেশিরভাগ কাজই কোনও ধরনের মিডিলম্যান ছাড়াই হয়ে যাচ্ছে। আর এর ফলে সুযোগ কমছে দুর্নীতিরও।                

ডিজিটাল লেনদেনের (Digital Transaction) ফলে কমেছে নগদের উপর নির্ভরতা। যা অর্থনীতিকে আরও স্বচ্ছ করেছে। হিসাব বিহীন অর্থে রাশ টানা গিয়েছে। পাশাপাশি ডিজিটাল নথিপত্রের ফলে অনেক কাগজের ব্যবহারও কমে গিয়েছে।                

এ ছাড়াও এই ইকোসিস্টেমের ফলে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষও এর মধ্যে আসতে পারছে। এর ফলে অর্থ সামাজিক উন্নয়নও হচ্ছে। সব মিলিয়ে এই ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার শুধুমাত্র ভারতের মধ্যে সীমাবদ্ধ রয়েছে এমন নয়। ধীরে ধীরে এই মডেল চড়িয়ে পড়ছে দেশের বাইরেও।