Petrol Pump Will Sale Petrol : পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ (Iran Israel War) পরিস্থিতিতে এবার জ্বালানির জোগান (LPG Crisis) মেটাতে বড় ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় সরকার। এবার থেকে পেট্রোল পাম্পগুলিতেই (Petrol Pump) পাওয়া যাবে কেরোসিন (Kerosene Supply Rule)। আগামী ৬০ দিন অস্থায়ী ভিত্তিতে এই সুবিধা পাওয়া যাবে। 

Continues below advertisement

কেরোসিন নিয়ে কী নতুন নির্দেশিকা সরকারেরদেশব্যাপী জ্বালানি পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে রবিবারই নতুন নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে পেট্রোলিয়াম ও প্রকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক। ২১ টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে পাঠানো হয়েছে নির্দেশ। যেখানে বলা হয়েছে, পেট্রোপণ্য়ের নিরাপত্তা ও লাইসেন্সের নিয়ম শিথিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। কেরোসিনের সরবারহ স্বাভাবিক রাখতেই নেওয়া হয়েছে এই সিদ্ধান্ত। 

কীভাবে-কোথায় এই সরবরাহের অনুমতি দেওয়া হয়েছেপেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের নোটিফিকেশনে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানিগুলি আগামী দিনে খুচরো চ্যানেলে ও পেট্রোল পাম্পের মাধ্যমে এই কেরোসিন সরবরাহ করতে পারবে। এই কেরোসিনের অস্থায়ী ও বিশেষ সময়ে নেওয়া ব্যবস্থা কেবল রান্না ও আলো জ্বালানোর জন্যই দেওয়া হচ্ছে। 

Continues below advertisement

কোন আইন বলে এই নিরাপত্তার নিয়মে শিথিলতাসরকারের তরফে জানানো হয়েছে, ১৯৩৪ ও ২০০২ সালের পেট্রোলিয়াম আইন অনুযায়ী সরকার চাইলে কিছু পেট্রোলিয়াম পণ্য়ের ওপর কড়া নিয়মে ছাড়া দিতে পারে। বর্তমানে দেশের জ্বালানি সঙ্কটের কথা মাথায় রেখে এই ছাড়ের পথে হেঁটেছে সরকার। সেই কারণেই কেরোসিনের লাইসেন্সিং নিয়মে বিশেষ অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তার মানে এই নয়, পেট্রোলিয়াম পণ্যের ওপর পুরনো আইন থাকছে না। 

রেশন দোকানে পাওয়া যাবে না ?২১টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে পাঠানো নোটিফিকেশনে আরও বলা হয়েছে, সরকার পাবলিক ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেমে কেরোসিন যাতে আরও মজুত করা যায়, সেই ব্যবস্থা করছে। মূলত , খুচরো গ্রাহকদের রান্নার কেরোসিন দিতেই এই ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার। কেরোসিন যাতে সাধারণ মানুষের হাতের নাগালে থাকে, সেজন্য কোম্পানিগুলিকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে যে- তারা প্রতিটি রিটেইল স্টেশনে (যেমন রেশন ডিলার বা নির্দিষ্ট পয়েন্টে) সর্বোচ্চ ২,৫০০ লিটার পর্যন্ত কেরোসিন মজুত রাখতে পারবে।

কেন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার

বাজার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে আগেভাগেই সতর্কতা অবলম্বন করছে সরকার। দেশে জ্বালানি সঙ্কট যাতে না তৈরি হয়, সেই কারণে রান্নার গ্যাসের পরিবর্ত ব্যবস্থাও সহজেই উপলব্ধ করানোর বিকল্প রাখা হচ্ছে।