Baba Ramdev : এক সময়ের অনুর্বর জমি হবে কৃষি সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের কেন্দ্র। পতঞ্জলি যোগপীঠের উদ্যোগে ঘটবে এই রূপান্তর। যার ফলে উপকৃত হবেন মধ্যপ্রদেশের মউগঞ্জ জেলার কৃষকরা। এই প্রকল্পের মাধ্যমে এলাকার অনুৎপাদনশীল জমিকে পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে বিন্ধ্য অঞ্চলে কৃষি সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। খোদ এই উন্নয়নে সাহায্য করতে এগিয়ে এসেছেন মধ্যপ্রদেশের উপ-মুখ্যমন্ত্রী রাজেন্দ্র শুক্লা। আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি পতঞ্জলি যোগপীঠের সাধারণ সম্পাদক আচার্য বালকৃষ্ণের কাছে এই এলাকার জমি রেজিস্ট্রি তুলে দিয়েছেন।

কৃষকদের সমৃদ্ধির স্বপ্ন সত্যি হবে, আশা রাখছেন আচার্য বালকৃষ্ণএই রেজিস্ট্রি হস্তান্তরের পরে আচার্য বালকৃষ্ণ সাইটটি পরিদর্শন করেন ও ভবিষ্যতের পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি বলেছেন, যোগ গুরু বাবা রামদেবের নির্দেশে পতঞ্জলি কৃষকের সমৃদ্ধির স্বপ্ন বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, এই উদ্যোগটি কেবল কৃষকদের আয়ই বাড়াবে না বরং বিন্ধ্য অঞ্চল জুড়ে সামগ্রিক উন্নয়নকে গতি দেবে।

শিল্প পার্ক স্থাপনের পরিকল্পনাপতঞ্জলি মৌগঞ্জ জেলার ঘুরেহতা গ্রামে একটি শিল্প পার্ক স্থাপনের পরিকল্পনা করেছে। এই পার্কটি স্থানীয় কৃষির উন্নতি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও আঞ্চলিক অর্থনৈতিক বৃদ্ধি চালানোর জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এটি কমিউনিটি এডুকেশন , স্বাস্থ্য পরিষেবা ও দক্ষতা উন্নয়ন সংস্থাগুলিকে সাহায্য় করবে।

আধুনিক প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে কৃষিকাজএই নতুন প্রকল্পে বিভিন্ন শস্য, প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, বীজ উৎপাদন ইউনিট ও প্রাথমিক প্রক্রিয়াকরণ সুবিধা থাকবে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য, কীটনাশক ও রাসায়নিক সারের উপর নির্ভরতা হ্রাস করার সঙ্গে সঙ্গে কৃষকদের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করে আধুনিক কৃষি পদ্ধতির সঙ্গে পরিচিত করা। এই পরিবর্তন চাষের খরচ কমিয়ে দেবে ও পরিবেশ বান্ধব কৃষিকে উৎসাহিত করবে।

এই বিষয়ে আচার্য বালকৃষ্ণ বলেছেন, "এই প্রকল্পটি উল্লেখযোগ্যভাবে কৃষকদের আয় বৃদ্ধি করবে ও তাদের অর্থনৈতিকভাবে স্বনির্ভর হতে সাহায্য করবে। কৃষিক্ষেত্রকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি এই উদ্যোগ কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সামাজিক উন্নয়ন ও পর্যটনকে উত্সাহিত করবে। এই উদ্যোগ মৌগঞ্জ ও বিন্ধ্য অঞ্চলের জন্য একটি নতুন সূচনা হতে চলেছে। যেখানে কৃষকদের কঠোর পরিশ্রম স্থায়ী সমৃদ্ধিতে রূপান্তরিত হবে।"