State Bank Of India : এটিএম লেনদেনের (SBI ATM Charges) পর এবার স্টেট ব্যাঙ্ক তার আরও একটি পরিষেবা বাবদ খরচ বাড়াল। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হতে চলেছে এই চার্জ। জেনে নিন, আপনার ওপর কতটা প্রভাব পড়বে।
কিছুটা ব্যয়বহুল হবে এই পরিষেবাস্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (এসবিআই) একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনতে চলেছে, যার ফলে মোবাইল অ্যাপ বা ইন্টারনেট ব্যাঙ্কিংয়ের মাধ্যমে ইনস্ট্যান্ট পেমেন্ট সার্ভিস (আইএমপিএস) ব্যবহার করা কিছুটা ব্যয়বহুল হবে। এই নতুন নিয়মটি ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ থেকে কার্যকর হবে।
আগে অনলাইনে বিনামূল্যে পাওয়া যেত এই পরিষেবাএর আগে এসবিআই গ্রাহকরা অনলাইনে আইএমপিএস ট্রান্সফার বিনামূল্যে ব্যবহার করতে পারতেন। তবে, নতুন নিয়ম অনুযায়ী, বড় অঙ্কের টাকা পাঠাতে হলে ফি দিতে হবে। উল্লেখ্য, এই পরিবর্তিত নিয়মের প্রভাব সাধারণ গ্রাহকদের উপর খুব বেশি পড়বে না, কারণ আইএমপিএস-এর মাধ্যমে ২৫,০০০ টাকা পর্যন্ত পাঠানো আগের মতোই সম্পূর্ণ বিনামূল্যে থাকবে। এর অর্থ হলো, যারা ছোট লেনদেন করেন, তাদের কোনও অতিরিক্ত চার্জ নিয়ে চিন্তা করতে হবে না।
আইএমপিএস চার্জ
কত টাকায় লাগবে কত চার্জ১ এসবিআই-এর নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কোনও গ্রাহক যদি অনলাইন চ্যানেলের মাধ্যমে আইএমপিএস ব্যবহার করে ২৫,০০০ টাকার বেশি লেনদেন করেন, তবে তাকে একটি ফি দিতে হবে।
২ ২৫,০০০ টাকা থেকে ১ লক্ষ টাকার মধ্যে লেনদেনের জন্য ২ টাকা এবং তার সাথে প্রযোজ্য জিএসটি চার্জ করা হবে।৩ ১ লক্ষ টাকা থেকে ২ লক্ষ টাকার মধ্যে আইএমপিএস লেনদেনের জন্য ফি বেড়ে ৬ টাকা হবে, সাথে জিএসটি যুক্ত হবে।৪ আইএমপিএস-এর মাধ্যমে ২ লক্ষ টাকা থেকে ৫ লক্ষ টাকার মধ্যে বড় অঙ্কের টাকা স্থানান্তরের জন্য ১০ টাকা এবং তার সাথে জিএসটি চার্জ করা হবে।
কী বলছে ব্যাঙ্কএই পরিবর্তনের কারণ নিয়ে ইতিমধ্যেই যুক্তি দিয়েছে ব্যাঙ্ক। প্রতিষ্ঠানের তরফে বলা হয়েছে, ডিজিটাল পরিষেবা সম্পর্কিত রক্ষণাবেক্ষণ এবং পরিচালন কাজ চালানোর জন্য এটি প্রয়োজন। উল্লেখযোগ্যভাবে, এই পরিবর্তনগুলি শুধুমাত্র মোবাইল অ্যাপ এবং ইন্টারনেট ব্যাঙ্কিংয়ের মাধ্যমে করা আইএমপিএস লেনদেনের জন্য প্রযোজ্য হবে। যদি কোনও গ্রাহক ব্যাঙ্কের শাখার মাধ্যমে আইএমপিএস-এর মাধ্যমে টাকা পাঠান, তবে আগের প্রযোজ্য চার্জই বহাল থাকবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সর্বশেষ সিদ্ধান্তটি মূলত বড় অঙ্কের ডিজিটাল স্থানান্তরকারী গ্রাহকদের প্রভাবিত করবে। গ্রাহকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে যে, টাকা স্থানান্তরের আগে চার্জগুলো দেখে নিতে এবং প্রয়োজনে এনইএফটি বা আরটিজিএস-এর মতো বিকল্পগুলো বিবেচনা করতে।