Abhishek Banerjee: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে আমতলা থেকে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন প্রতীক উর রহমান। যুব নেতার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক এবং রাজ্যসভার সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সঙ্গে তরুণ সমাজকে বিশেষ করে যাঁরা রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হতে চান কিংবা যুক্ত রয়েছেন তাঁদের আহ্বান জানিয়েছেন তৃণমূলে যোগ দেওয়ার জন্য। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, মানুষের জন্য নিঃস্বার্থ ভাবে কাজ করতে চাইলে, দলে তাঁদের স্বাগত। এদিন অভিষেক এও বলেছেন যে, তিনি কতদিন রাজনীতি করবেন জানেন না। তবে যতদিন তিনি আছে, ততদিন তাঁর সামর্থ্য অনুযায়ী তিনি তরুণ প্রজন্মকে সুযোগ করে দেবেন কাজ করার জন্য। প্রতীক উর রহমান তৃণমূলে যোগ দেওয়ায় তিনি যে খুশি সে কথাও জানিয়েছেন অভিষেক। তিনি বলেন, যে সৎ সাহস প্রতীক উর দেখিয়েছেন, তাঁর জন্য তাঁকে ধন্যবাদ। 

Continues below advertisement

প্রতীক উর রহমানকে পাশে নিয়েই এদিন অভিষেক বলেন, 'অন্য দলেরও যাঁরা, অনেক তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধিরা, যাঁরা এক বুক আশা-আকাঙ্খা-স্বপ্ন নিয়ে রাজনীতিতে এসেছেন, তাঁদেরকে বলব তৃণমূলে আসুন। যতদিন আমি আছি, কদ্দিন আমি রাজনীতি করব জানি না... আমি দলে একটা ঊর্ধ্বসীমার কথা বলেছি... আই হ্যাভ টু লিড বাই এক্সাম্পেল, মানুষ যদ্দিন বাঁচবে, সে তো রাজনীতি করে না, তাঁকে তো অন্য কিছুও করতে হতে পারে, তার মানে আমি কালকেই ছেড়ে দিচ্ছি ভাবার কোনও প্রশ্ন নেই, কিন্তু যদ্দিন আমি আছি... মানুষ কদ্দিন বেঁচে আছে, কাল কী হবে, পরশু কী হবে, এ তো ভগবানের হাতে, আপনারা কেউই বলতে পারবেন না, আমিও বলতে পারব না... আমি অন্তত সুযোগ করে দেব আমার যতটুকু সামর্থ্য রয়েছে।' 

এদিন সিপিএম নেতৃত্বকেও একহাত নিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কড়া সমালোচনাও করেছেন। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় যখন এসছিল, চাওয়া-পাওয়ার জন্য আসেনি। কানাহাইয়া কুমারের মতো ছেলে চলে গেছে কংগ্রেসে। সব ধান্ধাবাজ? আজ যাদের অঙ্গুলিহেলনে ২৫ শতাংশ ভোট বিজেপি ট্রান্সফার হয়েছে তারা ধোঁয়া তুলসীপাতা। তারা যবে থেকে দল চালাচ্ছে, সিপিএম চালাচ্ছে, সিপিএমের ৪০ শতাংশ ভোট, ২০১৬ সালে সিপিএমের ক'জন বিধায়ক ছিল, কী এমন জাদুকাঠি যে ৪-৫ শতাংশ ভোটে নেমে গেল তিন বছরের মধ্যে ২০১৯ সালে... যাদের কারণে আজ সিপিএম শূন্য, তারা আজকে অন্যকে আক্রমণ করে, ব্যক্তি আক্রমণে নেমেছে। আয়নায় নিজের মুখটা দেখা উচিত।'  

Continues below advertisement