কলকাতা: তৃণমূলের একের পর নেতা গ্রেফতার। প্রাক্তন মন্ত্রীদের অনেকের ঠাঁই হয়েছে গরাদের পিছনে। এই আবহেই সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। জিজ্ঞাসাবাদের অজুহাতে তাঁর সহযোগীদের নিয়ম বহির্ভূতভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুললেন।
কখনও CID, কখনও ED, কখনও রাজ্য এজেন্সি, কখনও কেন্দ্রীয় এজেন্সি। গত মাসে পরপর পরপর অভিষেক বন্দোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাবাদ করেছে CID ও ED। তাঁর আপ্তসহায়ক সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে জারি করা রয়েছে লুক আউট সার্কুলার।
এদিকে প্রায় প্রতিদিনই তৃণমূলের কোনও না কোনও ছোট-বড়-মেজ নেতা গ্রেফতার হচ্ছেন কিংবা জেরার মুখে পড়ছেন। বুধবারই গ্রেফতার করা হয়েছে অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ দেবরাজ চক্রবর্তীকে। এই আবহে বৃহস্পতিবার সোশাল মিডিয়ায় সুর চড়ান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
আরও পড়ুন, অর্থমন্ত্রী হিসেবে বাজেটের কিছুই জানতেন না! তৃণমূল আমলে তাহলে কে বানাতেন? বিস্ফোরক চন্দ্রিমা
সোশাল মিডিয়ায় তিনি লেখেন, গত কয়েক সপ্তাহে, জিজ্ঞাসাবাদের অজুহাতে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের এসটিএফ (STF) ও সিআইডি (CID) কোনও যথাযথ নোটিস ছাড়াই এবং আইনি সুরক্ষার মৌলিক নিয়ম লঙ্ঘন করে আমার অফিসের কর্মী বা আমার সহযোগী প্রায় ২৫ জনকে হঠাৎ তলব করেছে অথবা যথেচ্ছভাবে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
পোস্টের পরের অংশে আরও একধাপ এগিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, আমার বিরুদ্ধে মিথ্যে বয়ান দেওয়ার জন্য তাঁদেরকে ভয় দেখানো হচ্ছে, হুমকি ও চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। তাদের ফোন আড়ি পাতা হচ্ছে। এমনকী পরিবারের মহিলা সদস্যদেরও হয়রানি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, "উনি গ্রেফতার হলে ভাল হয়...জেলে বসবেন ঘনিষ্ঠদের সঙ্গে"।
পোস্টের শেষ লাইনে অভিষেক বন্দোপাধ্যায় লিখেছেন, 'শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত মাথা নত করব না'।
