কলকাতা : 'কালীঘাট-তৃণমূল'-এ আরও ভাঙন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছাড়লেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যও? তৃণমূলের রাজ্য সভানেত্রীর পদ ছাড়লেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। 

Continues below advertisement

এদিন তিনি এও বলেন, 'কোনও আলোচনা হত না, বাজেট পেশের আগে জানান হত কী বলতে হবে। আমার সঙ্গে আলোচনা করে যে বাজেট তৈরি হয়েছে তা নয়। জনতা যখন জেনেছেন তার কয়েকঘণ্টা আগে আমি জানতাম। আনুগত্য দেখিয়েছিলাম। উনি (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) বলেছিলেন, চন্দ্রিমা বলেও এরকম হবে। বাজেট কে তৈরি করতেন আমি জানি না। যা করেছি মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে'।                                                

এদিন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যর বক্তব্যর প্রেক্ষিতে কুণাল ঘোষ বলেন,  'যেদিন দফতরে ছিলেন তখন বলেননি কেন? সবচেয়ে মেয়াদ নিয়ে ছিলেন একাধিক মন্ত্রী পদে'। 

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, ঠিক এই জন্যই তৃণমূলের সব পদ ত্যাগ করলেন চন্দ্রিমা, জানিয়ে দিলেন বড় কারণ

পদত্যাগের কথা জানিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে উল্লেখ চন্দ্রিমার চিঠিতে। তৃণমূল চেয়ারপার্সন নয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে উল্লেখ চন্দ্রিমার। 

এদিন সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, 'অনেক বড় বড় নেতারা আছেন, তাঁরা নিশ্চয়ই দেখবেন। বিশ্বাসযোগ্যতা যখন প্রশ্নের মুখে পড়ে, তখন ফেরার প্রশ্ন নেই। আমি দলের রাজ্য সভানেত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছি। আমার কোনও অভিযোগ নেই, আমি নিজেকে অভিযুক্ত করছি। 

তৃণমূলে আছেন কিনা, স্পষ্ট করলেন না চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। বিষয়টি বিচারাধীন, অনেক জটিলতা আছে, মন্তব্য চন্দ্রিমার। 'আমার সঙ্গে আলোচনা করে বাজেট হয়েছে এমন নয়। আপনারা যখন জেনেছেন, তার কিছুক্ষণ আগে আমি জেনেছি'।  

চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, 'আমার আনগত্য প্রশ্নের মুখে বলে মনে হয়েছে আমি ব্যর্থ। নেত্রী ফোন করে বললেন, আমি নাকি ওদের হাতে ভবন তুলে দিয়েছি। কার কী হবে না হবে, কে প্রতীক পাবে সেসব বিচারাধীন। আমি নিজেকেই দায়ী মনে করছি, মনে করছি আমি ব্যর্থ। আমি বিধানসভায় কিছু টাকাপয়সা পাব, তার জন্য যাওয়ার দরকার হবে। সময় নিজের গতিতে চলবে'।