কলকাতা : কখনও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অধীনস্থ দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে ছুটে গেলেন বঙ্গভবনে। কখনও নির্বাচন কমিশনের বৈঠক থেকে বেরিয়ে দাবি করলেন, দুর্ব্যবহারের কারণে বৈঠক বয়কট করে চলে এসেছেন। সোমবার দিনভর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে উত্তাল হল দিল্লির রাজনীতি। কমিশনের সঙ্গে বৈঠক থেকে সটান বেরিয়ে এসে মুখ্যমন্ত্রী বললেন, 'আমাদের প্রশ্নের উত্তর দেয়নি, তাই আমরা নির্বাচন কমিশনকে বয়কট করে চলে এসেছি, ময়দানে লড়ে নেব।' সোমবার নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে দেড় ঘণ্টা বৈঠকের পর বেরিয়ে এসে এ কথা বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সুর চড়িয়ে বলে ন, 'আমি অনেক নির্বাচন কমিশনার দেখেছি, কিন্তু এরকম একটি দলের জন্য কমিশন দেখেনি। এই জাতীয় নির্বাচন কমিশন দালাল।' পাশাপাশি তিনি এই হুঁশিয়ারিও দিলেন, 'আপনারা চাইলে লক্ষ মানুষকে নিয়ে আসব, চ্যালেঞ্জ রইল।' এখন প্রশ্ন নির্বাচন কমিশন ও রাজ্যের প্রধানের এমন সম্মুখ সমরে কী হতে চলেছে রাজ্যের বিধানসভা ভোটের ভবিষ্যৎ। আদৌ এসআইআর এর পর ভোটার লিস্টের চূড়ান্ত তালিকা সময় মতো বেরোবে তো ? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই যে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ তুলছেন, দিল্লিতে গিয়ে হেনস্থা হওয়ার অভিযোগ করছেন, তাতে কি রাজ্যের মানুষের মন গলবে? এই কারণে কি ভোটে পালের হাওয়া কাড়বে তৃণমূলই? এই বিষয়ে মানুষের মন বুঝতে এবিপি আনন্দ সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনটি প্রশ্ন রাখে। সেখানে দর্শকদের তরফে যে উত্তরগুলি এসেছে, তাতে অনেকটাই স্পষ্ট মানুষ কী ভাবছে। 1. 'দুর্ব্যবহার করা হয়েছে, বয়কট করে বেরিয়ে এসেছি। উদ্ধত-অহঙ্কারী-মিথ্যেবাদী কমিশন।' জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে বৈঠক থেকে বেরিয়ে আক্রমণ মুখ্যমন্ত্রীর। কমিশনের বিরুদ্ধে প্রচারকে ভোটের অস্ত্র করে রাজনৈতিক লাভ হবে তৃণমূলের?
লাভ হবে 69লাভ হবে না 29বলতে পারব না 2
2. বঙ্গভবনে দিল্লি পুলিশের সঙ্গে সংঘাতে মুখ্যমন্ত্রী। ঘরে-ঘরে তল্লাশির অভিযোগ। বঙ্গভবনের নিরাপত্তায় DSP-র নেতৃত্বে দিল্লি যাচ্ছেন রাজ্য পুলিশের ২২ জন কর্মী। পুলিশ বনাম পুলিশ সংঘাতের পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে রাজধানীতে?
হ্যাঁ 91না 8বলতে পারব না 1
3. দিল্লিতে SIR-এ ক্ষতিগ্রস্তদের পুলিশি হেনস্থার অভিযোগ। SIR-নিয়ে আলোচনা হবে বিধানসভাতেও। এই পরিস্থিতিতে আদৌ সময়ে প্রকাশ করা যাবে চূড়ান্ত তালিকা?
প্রকাশ করা যাবে 14প্রকাশ করা যাবে না 85বলতে পারব না 1
মানুষ কী ভাবছে, কী চাইছে - সব কিছুর প্রতিফলন এখন পাওয়া যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়। তাই খবরের শিরোনামে থাকা সাম্প্রতিক ইস্যুগুলি নিয়ে এবিপি আনন্দ জনতার মতামত জানতে চায়। ফেসবুক, ইউটিউব, এক্স, ইনস্টাগ্রাম, থ্রেড-এর মতো সোশাল মিডিয়ায় একাধিক প্রশ্নে দর্শকরা কী বলছেন, তার একটা আন্দাজ পাওয়ার চেষ্টা করে এবিপি আনন্দ। তেমনই কিছু গুরুত্ব প্রশ্ন রাখা হয়েছিল আগামী আই-প্যাকে ইডি অভিযান ও তা নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিক্রিয়ার বিষয়ে । তাতে মানুষ কী ভাবছে , তার একটা চিত্র উঠে এল।