কলকাতা: 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিধানসভায় যেতে চাইলে আমাকে বলুন, রেজিনগর থেকে জেতাব। নন্দীগ্রাম থেকে জিততে পারবেন না, রেজিনগরে হুমায়ুন কবীর শেষ কথা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে ডেকে বললে বিধানসভায় ঢোকার ব্যবস্থা করে দেব', মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রস্তাব আম জনতা উন্নয়ন পার্টির নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের।
প্রশ্ন : মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই মুহূর্তে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে হেরে গিয়েছেন। …কোনও প্রস্তাব আপনার পুরনো নেত্রীর কাছে ?
আম জনতা উন্নয়ন পার্টির বিধায়ক হুমায়ুন কবীর : আজকের দিনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিধানসভায় ঢোকাটা বা থাকাটা খুবই আবশ্যক ছিল। বা থাকা উচিত। এক্ষেত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি বিধানসভায় আসতে চান এই বয়সে, তাহলে আমি বলতে পারি, তিনি নন্দীগ্রামে গিয়েও পারবেন না, আর রেজিনগরে হুমায়ুন কবীর শেষ কথা বলে। তৃণমূলকে আমি ৮১ হাজার ভোটে হারিয়েছি। আর বিজেপিকে হারিয়েছি ৫৯ হাজার ভোটে। সেই সিটে আবার আমি মানুষের সমর্থনে জিতে আসব। নেত্রী যদি চান, আমার এটুকু বলার, নেত্রীর প্রতি আমার যে দুর্বলতা, নেত্রী যদি চান, তিনি যদি নিজে থেকে আমাকে ডেকে বলেন যে, আমাকে বিধানসভায় যাওয়ার সুযোগ করে দাও, সেক্ষেত্রে নেত্রী নিজে ডেকে বললে, আমি অবশ্যই নেত্রীকে বিধানসভায় ঢোকার জন্য, ব্যবস্থা করব।
প্রশ্ন : এটা কি গুরুদক্ষিণা ?
আম জনতা উন্নয়ন পার্টির বিধায়ক হুমায়ুন কবীর : কারণ তিনি আমার সিনিয়র মোস্ট, গোটা রাজ্যের নেত্রী না, বাংলার নেত্রী না, তিনি ভারতবর্ষের, উল্লেখযোগ্য নেত্রী, তাঁর এই সময়ে বিধানসভায় আসাটা জরুরি ছিল। হেরে গিয়েছেন, ভবানীপুরের মানুষ তাঁকে হারিয়ে দিয়েছে। যদি আসতে চান, আমাকে ব্যক্তিগত স্তরে বললে, অবশ্যই ব্যপারটা…
প্রশ্ন : মানে পারবেন , জেতাতে পারবেন ?
আম জনতা উন্নয়ন পার্টির বিধায়ক হুমায়ুন কবীর : নিশ্চিত। রেজিনগরের মানুষের কাছ হুমায়ুন কবীর শেষ কথা বলবে।
'ধৃতরাষ্ট্রের মতো নিজের ভাইপোকে পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী করতে চেয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়'
এদিন তিনি আরও বলেন, 'ধৃতরাষ্ট্রের মতো নিজের ভাইপোকে পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী করতে চেয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আমার আগের কথায় কোনও কর্ণপাত করা হয়নি, আজ তার খেসারত দিচ্ছে', তৃণমূল কংগ্রেসের টুকরো টুকরো হয়ে ভেঙে যাওয়া নিয়ে কটাক্ষ AJUP-র নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের
