গৌতম মণ্ডল ও ভাস্কর মুখোপাধ্যায়, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও বীরভূম: কাকদ্বীপে ট্রলার থেকে উদ্ধার হল বিপুল পরিমাণ মদ। ঘটনায় ট্রলারের মাঝি ও এক খালাসিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অপরদিকে, মুরারই থানার পলশা গ্রামের কাছে বাঁশলৈই থেকে নন্দীগ্রাম যাওয়ার রাস্তায় একটি বোতল জল তৈরির কারখানা থেকে বিপুল পরিমান নকল বিদেশি মদ উদ্ধার করে। যার দাম কোটি টাকার বেশি। ঝাড়খন্ডের মালিক এই মদ তৈরি করত বলে অভিযোগ।

Continues below advertisement

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কাকদ্বীপে রাতের অন্ধকারে অক্ষয়নগর থেকে ট্রলারে মদ তোলা হচ্ছিল। পরে ১১ নম্বর চণ্ডীপুরের কালনাগিনী নদী দিয়ে ট্রলারটি যাওয়ার সময় পুলিশ সেটিকে আটক করে। তল্লাশিতে ৭৭৬টি বিদেশি ও দেশি মদের বোতল উদ্ধার হয়। জেরায় ধৃতেরা জানায়, কাকদ্বীপ থেকে মদগুলি সুন্দরবন পুলিশ জেলার গোবর্ধনপুর কোস্টাল থানার সীতারামপুরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।                              

আরও পড়ুন:- 'ওর সত্যি ভাবা উচিত বিধানসভায় আর আসবে কিনা, কারণ এলে...', হুমায়ুনকে হুঁশিয়ারি সজলের  

Continues below advertisement

এই ঘটনায় ৪৬(C)৫২/BE ধারায় মামলা রুজু করে ধৃতদের কাকদ্বীপ মহকুমা আদালতে তোলা হলে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়। এত পরিমাণ মদ কেন রাতের অন্ধকারে পাচার করা হচ্ছিল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। আবার মুরারই থানার পলশা গ্রামের কাছে বাঁশলৈই থেকে নন্দীগ্রাম যাওয়ার রাস্তায় আবগারি দফতর আভিযান চালিয়ে নকল মদ উদ্ধার করে। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।   

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশ কয়েক বছর আগে ফাঁকা মাঠে এই জলের কারখানাটি গড়ে ওঠে। তার পরে এই জলের কারখানাটি ভাড়া নেয় ঝাড়খন্ডের এক ব্যক্তি। অভিযোগ তার পর থেকে এখানে ঝাড়খন্ডে জনপ্রিয় একটি মদে  নকল করে মদ তৈরি করা শুরু হয়। তবে বুধবার দুপুরেই এক কারখানায় অভিযান চালায় আবগারি দফতর। স্থানীয় পুলিশ কে না জানিয়েই কারখানায়া তাঁদের তরফে হানা দেওয়া হয়। সেই সময় অবশ্য কয়েকজন কর্মী ছাড়া কারখানায় আর কেউ ছিল না। তবে এই অভিযানে প্রায় কোটি টাকার বেশি নকল মদ উদ্ধার করা হয়েছে।