সমীরণ পাল, উত্তর ২৪ পরগনা: ব্যারাকপুর স্টেশনের কাছে শপিং মলে বিধ্বংসী আগুন। কলকাতার সাউথসিটি ও অ্যাক্রোপলিসের ছায়া এবার জেলায়। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার ব্যারাকপুরে ঘোষপাড়া রোডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড।
শপিং মলটিতে নীচে অসংখ্য দোকান, রেস্তোরা, মাল্টিপ্লেক্স। বলাইবাহুল্য ভিড় লেগে থাকে সেখানে। আর তারই মাঝেই শপিংমলে দাউদাউ করে আগুন জ্বলছে। আগুনের লেলিহান শিখা রাস্তা পর্যন্ত ছড়িয়ে গিয়েছে। ছড়িয়ে পড়েছে বিরিয়ানীর দোকান পর্যন্ত। ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে পৌঁছেছে। দমকল কর্মীরা যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নেভানোর চেষ্টা করছে। ইতিমধ্যেই যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। তবে কীভাবে আগুন লেগেছে ? কতটা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ? এখনও জানা যায়নি। পাশে শিয়ালদা-কৃষ্ণনগরের রেল শাখা রয়েছে। তাই সব মিলিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে।
দমকলের ৩ ইঞ্জিন আগুন নেভানোর চেষ্টা করছে। শপিং মলে অগ্নিনির্বাপকের ব্যবস্থা ছিল কিনা, এই প্রশ্নও উঠে এসেছে। যেহেতু রেস্তোরা, তাই গ্যাস সিলিন্ডার থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। দমকলকর্মীরা ভিতরে প্রবেশ করার চেষ্টা করছে। খবর পেতেই বাইরে বেরিয়ে এসেছেন অনেকেই।গত বছর দক্ষিণ কলকাতার কসবার অ্যাক্রোপলিশ মলে আগুন লেগেছিল। এদিকে যেই শপিংমলে একাধিক অফিসও রয়েছে। এদিকে আগুন ধরার পর সিড়ি দিয়ে নামতে গিয়ে বাধার মুখে পড়তে হয়েছিল অনেককেই। রাখা ছিল কিছু সামগ্রী। বলাইবাহুল্য , ঝা ঝকঝকে শীততাপ নিয়ন্ত্রিত শপিংমলগুলিতে যেখানে এত সুযোগসুযোগ সুবিধা, সেখানে আগুন লাগলে কী করা হবে, ত নিয়ে ঠিক কতটা ভাবা হয় ?
তবে যাই হোক না কেন, আগুনের গ্রাস থেকে কিছুতেই মুক্তি মিলছে না। এশহরেই একের পর এক ঝুপড়ি আগুনে পুড়ে খাক হয়ে গিয়েছিল। সম্প্রতি পার্ক সার্কাস স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় বিধ্বংসী আগুন ছড়িয়েছিল। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছিল চারিদিক। দাউদাউ করে জ্বলছিল তিলজলার কারখানা। ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়েছিল দমকলের ১৪ টি ইঞ্জিন। স্টেশন পাশেই থাকায়, ওই দিন বন্ধ হয়ে গিয়েছিল কিছুটা সময়ের জন্য ট্রেন চলাচল।
(খবরটি সম্প্রতি ব্রেক করা হয়েছে। বিস্তারিত কিছুক্ষণ পরই দেওয়া হচ্ছে। একটু পরে রিফ্রেশ করুন। জেলা থেকে শহর, দেশ, বিদেশ, বিনোদন থেকে খেলা, বিজ্ঞান থেকে প্রযুক্তি সহ অন্যান্য সমস্ত খবরের আপডেটের জন্য দেখতে থাকুন এবিপি আনন্দ ও এবিপি লাইভ)