সৌমিত্র রায়, কলকাতা: চিৎপুর থানা এলাকায় দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ। আজ সন্ধ্যায় চিৎপুরের গাড়ির যন্ত্রাংশ তৈরির এক কারখানায় সামনে ধুন্ধুমার। পুলিশ সূত্রে খবর, একদল মত্ত যুবক গাড়ি তৈরির কারখানার কর্মীদের মারধর করে। ভাঙচুর করা হয় কিছু নতুন গাড়ি। কয়েকজন অভিযুক্ত আটক করেছে পুলিশ। পাশেই চলছিল বিশ্বকর্মা পুজো।

তার মধ্যেই শনিবার সন্ধ্যায় ধুন্ধুমার চিৎপুরের প্রাণকৃষ্ণ মুখার্জি রোড। ভাঙচুর করা হয়েছে গাড়ির যন্ত্রাংশ তৈরির কারখানার নতুন গাড়ি। পুলিশ সূত্রে দাবি, শনিবার সন্ধ্যায় চিৎপুর থানা এলাকায় স্থানীয় কিছু যুবক মদ্যপ অবস্থায় অশান্তি শুরু করে। কিছুক্ষণের মধ্যেই গাড়ির যন্ত্রাংশ তৈরির কারখানর সামনে অন্যান্য কিছু যুবকের সঙ্গেও বিবাদ শুরু হয়। ভিতরে ঢুকে মারধর করা হয় কারখানার কর্মীদের। 

চিৎপুর থানার পুলিশ এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়। আটক করা হয় কয়েকজন অভিযুক্ত যুবককে। পুলিশ সূত্রে দাবি মারধরে আহত হয়েছেন কারখানার বেশ কয়েকজন কর্মী। ১৩টি নতুন গাড়ি ভাঙা হয়েছে। ইতিমধ্যেই কারখানা কর্তৃপক্ষের তরফে চিৎপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। সূত্রের খবর, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। তবে কী কারণে বিবাদ, খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

অন্যদিকে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বহরমপুরে বন্ধুকে খুনের অভিযোগ উঠল বন্ধুর বিরুদ্ধেই! মৃত ভাকুড়ি ২ নম্বর পঞ্চায়েতের চুমড়িগাছার বাসিন্দা মইনুল শেখ। তাঁর পরিবারের দাবি, আজ বিকেলে তাঁকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় কয়েকজন বন্ধু। এরপর সন্ধের দিকে তাঁর বাড়ির অদূরে একটি ঘর থেকে মইনুলের মৃতদেহ উদ্ধার হয়।

পরিবারের দাবি, তাঁকে গুলি করে খুন করা হয়েছে। এই ঘটনায় নিহতেরই এক বন্ধুর বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ উঠেছে। মৃতের পরিবারের দাবি, মইনুলের কাছে ৫০ হাজার টাকা ও মোবাইল ফোন ছিল। কিন্তু মৃতদেহ উদ্ধার হলেও মেলেনি টাকা ও ফোন। তাহলে কি টাকার জন্যই খুন করা হল এই যুবককে? তদন্তে পুলিশ (Police)।

কিছুদিন আগে বীরভূমের ইলামবাজারে নারকীয় ঘটনা। বন্ধুর হাতে বন্ধু খুন হয়েছিল। এই ঘটনার পর যত সময় যাচ্ছে, ততই যেন তৈরি হচ্ছে ধোঁয়াশা। জমছে একের পর এক প্রশ্ন, যার উত্তর খুঁজতে মরিয়া তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ। ধৃত শেখ সলমনকে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে গিয়ে উত্তর খুঁজছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, দিন সাতেক আগে, সলমন দুবরাজপুরের সূচনা মার্কেটের দোকানে তাঁর দুটি মোবাইল ফোন সারাতে দেন। এদিন ধৃতকে সেই দোকানে নিয়ে গিয়ে সিসিটিভি ক্যামেরা ফুটেজ খতিয়ে দেখে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে একটি স্কুটার উদ্ধার করা হয়েছিল। সেটি যে মোটরবাইক শোরুম থেকে কিনেছিলেন অভিযুক্ত, মঙ্গলবার সেই শোরুমে ধৃতকে নিয়ে যায় পুলিশ। সূত্রের খবর, খুনের উদ্দেশ্যে ইলামবাজার যাওয়ার আগে পানাগড়-দুবরাজপুর রাজ্য সড়কে একটি দোকানে চা খান অভিযুক্ত। সেই দোকানের মালিক শেখ সাজিবুর পুলিশকে জানান, সেদিন সলমন একাই তাঁর দোকানে এসেছিলেন। কী ঘটনা ঘটেছিল? একা কীভাবে এই খুন করেছিলেন শেখ সলমন? উত্তর খুঁজছে পুলিশ।