কলকাতা: কতজন অনুপ্রবেশকারীকে ওপারে পাঠানো হয়েছে এবং কত জন এখনও আছে ভারতের হোল্ডিং সেন্টারে ? বড় বার্তা দিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীশুভেন্দু অধিকারী।
"এবারে একেবারে সরাসরি হোল্ডিং স্টেশন বানানো হয়েছে, বর্ডারের জেলাগুলিতে, এখন হোল্ডিং স্টেশনে আমার হাতে আছে ৮৩৬ জন"
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'আমাদের সবচেযে বড় ইস্যু ছিল সীমান্ত সুরক্ষা। অবৈধ অনুপ্রবেশকারী। আমরা বিএসএফকে ল্যান্ড হ্যান্ডওভারের কাজ শুরু করেছি। প্রত্যেকদিনই ল্যান্ড দিচ্ছি। এখনও পর্যন্ত আমাদের, ৫৫৬ কিমি জায়গাতে জায়গা-জমি দিতে হবে। আমরা ১০০ কিমি পর্যন্ত জমি হ্যান্ডওভার করে দিয়েছি। তার মধ্য়ে অগ্রাধিকার ছিল, চিকেন নেক এলাকা, আমাদের নর্থবেঙ্গলে। সিএএ এর আওতায় যারা পড়েননি, সেই ধরণের অনুপ্রবেশকারী, তাঁদেরকে ডিপোর্ট করার কাজ, নিয়ম মেনে শুরু করেছি। আইন ছিল ভারত সরকারের, সেই আইনে ওদেরকে জেলে না পাঠিয়ে, সরাসরি বিএসএফ-র হাতে হ্যান্ডওভারের আইন ছিল। অন্য রাজ্যে কার্যকর করেছিল। এখানে এদেরকে জামাই আদর করে, জেলে পাঠানো হত। আমাদের ভাত, আমাদের ওষুধ খেত এরা। আরামে ভিতরে বসে থাকত।এবারে একেবারে সরাসরি হোল্ডিং স্টেশন বানানো হয়েছে, বর্ডারের জেলাগুলিতে। সেখান থেকে এখন অবধি, ৪ হাজার ৮০০ জনকে ওপারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন হোল্ডিং স্টেশনে আমার হাতে আছে ৮৩৬ জন। তাঁদেরকে আমরা তাড়াতাড়ি খাইয়েপরিয়ে, ওদিকে পাঠানোর ব্যবস্থা করছি।'
প্রশাসনিক বৈঠকে এসে কড়া বার্তা দেন মুখ্য়মন্ত্রী
সম্প্রতি এক প্রশাসনিক বৈঠকে এসে কড়া বার্তা দেন মুখ্য়মন্ত্রী। ক্ষমতায় এসেই অনুপ্রবেশ আটকানোর দিকে নজর দিয়েছে বিজেপি সরকার। কাঁটাতার বসানোর জন্য় বিএসএফ-র হাতে জমি তুলে দেওয়ার কাজ শুরু হয়ে গেছে। এই প্রেক্ষাপটে প্রশাসনিক বৈঠকেও ফের অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান স্পষ্ট করে দেন মুখ্য়মন্ত্রী। বলেন, অনুপ্রবেশকারীদেরকে কোর্টে না পাঠিয়ে, বাংলাদেশ বর্ডারে বিএসএফ-র কাছে পাঠানোর যে আইন কার্যকর হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে, পুলিশ কমিশনারকে এবং আরপিএফ-কে সরাসরি বলে দেওয়া হয়েছে, হাওড়া স্টেশন থেকে সিএএ-র আওতায় পড়েন না, এমন বাংলাদেশি অবৈধ অনুপ্রবেশকারী ধরা পড়লে কোর্টে পাঠাবেন না। তাঁকে ভাল করে খাওয়াদাওয়া করিয়ে -সোজা বনগাঁ পেট্রাপোল সীমান্তে, নইলে বসিরহাটে বিওপি- কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্য়বস্থা করতে।
