রুমা পাল, কলকাতা: এবার চাকরি থেকে ৩ মাইক্রো অবজার্ভার সাসপেন্ড। উঃ ২৪ পরগনার ৩ মাইক্রো অবজার্ভার সাসপেন্ড করা হয়েছে চাকরি থেকে। ব্যাঙ্কের ২ ম্যানেজার, একজন আয়কর আধিকারিক সাসপেন্ড। ৩ মাইক্রো অবজার্ভারের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ CEO দফতরের। 

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, ERO, AERO-সহ ৫জনের বিরুদ্ধে অবশেষে FIR করল রাজ্য সরকার

Continues below advertisement

মাইক্রো অবজারভারদের নিয়েও কিন্তু আগেও নির্দেশিকা ছিল যে, বেশ কিছু মাইক্রো অবজারভার তাঁদের কাজ ঠিকমতো করছেন না। সেক্ষেত্রে, সেখানেও কিন্তু নির্দেশিকা ছিল, যদি তাঁরা ঠিকমতো না করেন, তাহলে কিন্তু নির্বাচন কমিশন পদক্ষেপ নিতে পারে। এরপরেই তিন জন মাইক্রো অবজারভারকে সাসপেন্ড করল মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর। উত্তর ২৪ পরগনার এই তিন জন মাইক্রো অবজারভারের মধ্যে দুই জন ব্যাঙ্কের ম্যানেজার, একজন হচ্ছে ইনকাম ট্যাক্সের ইন্সপেকটর। অন্যদিকে জানা গিয়েছে, কর্তব্যে গাফিলতি যেমন ছিল, পাশাপাশি তাঁরা না বলে চলে গিয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এর সঙ্গে তাঁরা সঠিকভাবে এসআইআর প্রক্রিয়া করেননি বলে অভিযোগ। 

এর আগে বারবার প্রশ্ন উঠছিল, রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বিরুদ্ধেই কিন্তু ব্যবস্থা নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। এবার দেখা গিয়েছে, এই মাইক্রো অবজারভাররা কিন্তু, কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী। কিছুদিন আগেই, মাইক্রো অবজারভারদের নেওয়া হয়েছিল কমিশনের তরফ থেকে। দুই ধাপে তাঁদের ট্রেনিং করা হয়েছিল। প্রত্যেক জায়গায়, প্রথমে তাঁরা শুনানির সময় উপস্থিত ছিলেন। 

প্রসঙ্গত, ৪ জেলার ৭ জন AERO-কে সরাসরি সরকারি পদ থেকে সাসপেন্ড করেছে নির্বাচন কমিশন। এনিয়ে মঙ্গলবার তীব্র আক্রমণ শানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। বললেন, যাঁকে ডিমোশন করবে, তাঁকে আমরা প্রমোশন করব। পাল্টা আক্রমণে নেমেছে বিজেপি। এদিন, AERO-দের সাসপেনশনের প্রতিবাদ জানানো হয় পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারি কর্মচারী ফেডারেশনের তরফে। SIR সংক্রান্ত কাজ থেকে সরানোর পাশাপাশি কার্যত নজিরবিহীনভাবে ৪ জেলার ৭ জন AERO-কে সরাসরি সরকারি পদ থেকে সাসপেন্ড করেছে নির্বাচন কমিশন।

SIR পর্বে এই প্রথম কোনও রাজ্যের সরকারি আধিকারিকদের সাসপেন্ডের মতো কড়া ব্যবস্থা নিল নির্বাচন কমিশন। যা নিয়ে মঙ্গলবার তীব্র আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী। ফের দিলেন অফিসারদের পাশে থাকার বার্তা।মুখ্যমন্ত্রী   মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় বলেছেন, যদি কেউ অন্য়ায় করে থাকে, তারা রাজ্যকে জানাতে পারত। তাদের আত্মপক্ষ সমর্থনের কোনও সুযোগ দেওয়া হয়নি। তাদের কাছে একবার জানতে চাওয়া হল না আপনার অপরাধটা কী? তদন্ত হবে। সেখানে দেখা যাবে, কী আছে, না আছে। তারা কেউ চাকরিচ্য়ুত হচ্ছে না। এবং যাঁকে ডিমোশন করবে, তাঁকে আমরা প্রমোশন করব। '