রুমা পাল, কলকাতা: ময়নাগুড়ি, সুতি, ক্যানিং, ফরাক্কা, সামশেরগঞ্জ, ডেবরার এইআরওকে সাসপেন্ড করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এসআইআর কাজ থেকে সাসপেন্ডের পর ডিসিপ্লিনারি অ্যাকশন নিতে মুখ্যসচিবকে চিঠি কমিশনের।

Continues below advertisement

এই ৭ জন অফিসারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে মুখ্যসচিবকে চিঠি কমিশনের, দেখুন একনজরে

সাসপেন্ড : ক্যানিং পূর্বের এইআরও সত্যজিৎ দাস, জয়দীপ কুণ্ডুসাসপেন্ড : মুর্শিদাবাদের সুতির এইআরও শেখ মুর্শিদ আলমসাসপেন্ড : ময়নাগুড়ির এইআরও ডালিয়া রায় চৌধুরী সাসপেন্ড : সামশেরগঞ্জের এইআরও শেফাউর রহমানসাসপেন্ড : ফরাক্কার এইআরও নীতীশ দাসসাসপেন্ড : ডেবরার এইআরও দেবাশিস দাস

Continues below advertisement

কার বিরুদ্ধে কী অভিযোগ ?

সত্যজিৎ দাস ও জয়দীপ কুণ্ডুর বিরুদ্ধে ডিসিপ্লিনারি অ্যাকশন নিতে মুখ্যসচিবকে চিঠি নির্বাচন কমিশনের। ক্যানিং-পূর্বের ২ এইআরও সত্যজিৎ দাস ও জয়দীপ দাসের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক অবিলম্বে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। মুর্শিদাবাদের সুতির এইআরও শেখ মুর্শিদ আলমের বিরুদ্ধে ডিসিপ্লিনারি অ্যাকশন নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কর্তব্যে অবহেলার জন্য ময়নাগুড়ির এইআরও ডালিয়া রায় চৌধুরীর বিরুদ্ধে ডিসিপ্লিনারি অ্যাকশন নিতে মুখ্যসচিবকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। সামশেরগঞ্জের এইআরও শেফাউর রহমানের বিরুদ্ধে ডিসিপ্লিনারি অ্যাকশন নিতে নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। ফরাক্কার এইআরও নীতীশ দাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে মুখ্যসচিবকে চিঠি পাঠিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ডেবরার এইআরও দেবাশিস দাসের বিরুদ্ধে ডিসিপ্লিনারি অ্যাকশন নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে ডিসিপ্লিনারি অ্যাকশন নিতে নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। 

নির্বাচন কমিশন জানাচ্ছে, এদের বিরুদ্ধে রীতিমত ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। কারণ এনারা যে তথ্য আপলোড করেছেন, সেখানে দেখা যাচ্ছে, ভোটারদের দেওয়ার তথ্য সম্পূর্ণ নয়। তা সত্ত্বেও তাঁরা সেই তথ্য আপলোড করেছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, এবং নির্বাচন কমিশন সেই কারণেই কিন্তু এদের বিরুদ্ধে ডিসিপ্লিনারি অ্যাকশন নেওয়ার কথা মুখ্যসচিবকে বলেছে কমিশন। নির্বাচন কমিশন কিন্তু ইতিমধ্যেই জানিয়েছিল, যে সুপার চেকিং চলছে। সেখানে রোল অবজারভার থেকে শুরু করে,  মাইক্রো অবজারভার , প্রত্যেকের কিন্তু সুপার চেকিংয়ের কাজ চলছে। শুনানি শেষে হয়েছে বটে, কিন্তু এখন যখন তথ্য আপলোড করা হচ্ছে, সেক্ষেত্রে রোল অবজারভাররা একেবারে সুপার চেকিং করছেন।

নির্বাচন কমিশন বলছে যে, এদের বিরুদ্ধে দেখা যাচ্ছে, সংশোধনমূলক ব্যবস্থা না নেওয়ায়, অযোগ্য মামলাগুলি অনুমোদন করা হয়েছে। এবং সেখানেই দেখা যাচ্ছে, কমিশনের যে নির্দেশ রয়েছে, সেই নির্দেশ অমান্য করা হয়েছে। সেই কারণেই এইআরওকে সাসপেন্ডের পর ডিসিপ্লিনারি অ্যাকশন নিতে মুখ্যসচিবকে চিঠি দিয়েেছে কমিশন।