উত্তর ২৪ পরগনা: ভাটপাড়া পুরসভায় সঙ্কট, ৩৫ জন কাউন্সিলরের মধ্যে ৩০ জনের একযোগে পদত্যাগ। পুরসভার চেয়ারপার্সন রেবা রাহাও পদত্যাগ করেছেন বলে খবর। ভাটপাড়া পুরসভার ভবিষ্যৎ ঘিরে প্রশ্ন, শুরু রাজনৈতিক জল্পনা। পরিষেবা দিতে সরকারি আধিকারিকরা কাজ চালাবেন, দাবি বিজেপি বিধায়ক অর্জুন সিংয়ের।

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, ফের চলল বুলডোজার এই এলাকায়, ভাঙা হল 'অবৈধভাবে গড়ে ওঠা' তৃণমূলের পার্টি অফিস

Continues below advertisement

ভাটপাড়া পুরসভার পদত্যাগী উপ পুরপ্রধান দেবজ্যোতি ঘোষ বলেন, আমার কাছে কোনও বিকল্প পথ ছিল না, কারণ আমি যখন শুনলাম, পরশুদিন আমাদের ..কাউন্সিলর রিজাইন করে দিচ্ছে, কালকে চেয়ারম্যানও রিজাইন করে দিয়েছে, এবং আমার কাছে কোনও অন্য অলটারনেটিভ ছিল না। তারপরে আমি দেখছি, কোনও পৌর পরিষেবা পাচ্ছে না লোকেরা। কর্মচারীরা মায়না পাচ্ছে না। দলের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ নেই। দল কোনও সাজেশনও দেয়নি। দুর্ভাগ্য এরকম একটা পরিস্থিতিতে  দলের কোনও সাহায্য পাইনি।কেউই আমাদের কোনও সাজেশন দেয়নি। কেউ গাইড করেনি। কেউই পাশে দাঁড়ায়নি। আমাকে কেউ কোনও চাপ দেয়নি।একদম ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত।…দুর্নীতির খবর আমার কাছেও আছে। দুর্নীতি তো কিছু হয়েছে আমি অস্বীকার করছি না।অস্বীকার করতে পারব না। আমি গত চার বছর..বেসিক্যালি বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করেছি।সেই জন্য এই যদি দুর্নীতি হয়, তার কালির দাগ আমি গায়ে মাখব না। এমএলএ, তার মা চেয়ারম্যান, তার পৌরসভা চালিয়েছে, আমরা বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করেছি। এর দায়িত্ব আমি নিতে যাব কেন ?

অপরদিকে, অর্জুন সিংহ বলেন, পরিবর্তনের পরে যতগুলি অসাধু শক্তি ছিল, যারা পুরসভা, পঞ্চায়েত লুঠ করে তারা জিতেছিল একটা সময়। তার মধ্যে ৯০ শতাংশ এমন লোক ছিল, লুঠ করে তাঁরা ভোটে জিতেছিল, মানুষের ভোটে জেতেনি। তারা অনেকেই ৯৯ শতাংশ, স্বেচ্ছায় বিনা কোনও প্রেসারে রিজাইন করেছেন। হালিশহর পুরসভায় বেশিরভাগ তৃণমূল কাউন্সিলরদের গণইস্তফা। সম্প্রতি একসঙ্গে ইস্তফা দেন ১৬ জন তৃণমূল কাউন্সিলর। ফলে ভেঙে যায় হালিশহর পুরসভার বোর্ড। বিধানসভা ভোটের ফলপ্রকাশের ১৭ দিনের মাথায় হালিশহর পুরসভায় বড়সড় ধাক্কা। একসঙ্গে ইস্তফা দেন ১৬ জন তৃণমূল কাউন্সিলর। ফলে ভেঙে গেল হালিশহর পুরসভার বোর্ড। চৌঠা মে গেরুয়া ঝড়ে পালাবদল হয়েছে রাজ্যে। বিপুল জনসমর্থন পেয়েছে বিজেপি। সামনের বছর পুরসভাগুলোতে ভোট। কিন্তু, তার আগে থেকেই পাশা পাল্টাতে শুরু করেছে।