বীরভূম: বীরভূমে তৃণমূলের কোর কমিটির বৈঠকে অনুব্রতর পাশে কাজল। এক ফ্রেমে অনুব্রত-কাজল-শতাব্দী। শীর্ষ নেতৃত্বের কড়া বার্তার পর কাটবে অনুব্রত-কাজল দ্বন্দ্ব? সময় জানাবে সবকিছু।

আরও পড়ুন, জ্বর নিয়ে ভর্তি হাসপাতালে, শেষ রক্ষা হল না, বর্ষার শুরুতেই ডেঙ্গিতে মৃত্যু দমদমের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীর !

বোলপুরে দলীয় কার্যালয়ে কোর কমিটি বৈঠক। বৈঠকে হাজির অনুব্রত মণ্ডল- কাজল শেখ। কিছুদিন আগেই কলকাতায় অনুব্রত-কাজলকে নিয়ে আলাদা বৈঠক নেতৃত্বের । বীরভূমের ২ নেতাকে একসঙ্গে চলার বার্তা দেয় নেতৃত্ব। সব দ্বন্দ্ব মিটিয়ে নেওয়ার কথা বলে দলীয় নেতৃত্ব। তারপর প্রথম কোর কমিটির বৈঠক ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা।

প্রসঙ্গত, পুলিশকে হুমকি-বিতর্কের পর প্রথমবার দলীয় বৈঠকে যোগ দিতে সম্প্রতি কলকাতায় এসেছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। তৃণমূল সূত্রে খবর,বৈঠকে দলীয় নেতৃত্বের কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন বীরভূমের প্রাক্তন জেলা সভাপতি। প্রশ্ন উঠছে, পুলিশকে কদর্য ভাষায় আক্রমণ করেও দায়সারা ক্ষমাতেই ছাড় অনুব্রত মণ্ডলকে? আশাকরি আর এই ভুল আর করবে না। কেষ্টকে লাস্ট ওয়ার্নিং দিয়েও অনিল বসু, কৈলাস বিজয়বর্গীয়র প্রসঙ্গ টেনেছলেন ফিরহাদ হাকিম।IC-কে এই কদর্য আক্রমণের পর অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে কোনও কড়া ব্য়বস্থা নেয়নি তৃণমূল। দায়সারাভাবে ক্ষমা চেয়েই পার পেয়ে গেছেন তিনি। 

এই বিতর্কের পর, দলীয় বৈঠকে যোগ দিতে এসে, শনিবার প্রথম দলীয় নেতৃত্বের মুখোমুখি হয়েছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। বৈঠক শেষে অনুব্রতকে লাস্ট ওয়ার্নিং দেওয়া হয়েছি বলে দাবি করেও, কার্যত ঢালের মতো সিপিএম, বিজেপির প্রসঙ্গে টেনে এনেছিলে ফিরহাদ হাকিম। পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বলেছিলেন,'অনিল বসুর সময় তো এই প্রশ্নটা করেননি। বিনয় কোঙারের সময় তো এই প্রশ্নটা করেননি। বিজয় বর্গীয়র সময় তো এই প্রশ্নটা করেননি। শুধু তৃণমূল কংগ্রেস করলে দোষ? সব প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হবে? যেটা করেছে সেটাকে আমরা কেউ সমর্থন করি না, তাকে ওয়ার্নিং দেওয়া হয়েছে, লাস্ট ওয়ার্নিং দিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং আমি আশা করি সে আর এই ভুলটা রিপিট করবে না।' 

পাল্টা কুকথা প্রসঙ্গে তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি দিয়েছিল বিজেপি। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, 'অনিল বসু যেদিন বলেছিলেন কুকথা  তার উত্তর কিন্তু ১১ সালে মানুষ দিয়েছিল। তাই এই কুকথার উত্তর ৮ মাস পরে বিধানসভা নির্বাচনে বাংলার জনগণ দেবে। অনুব্রত আর আপনাদের(তৃণমূল) কুকথার উত্তর বাংলার জনগণ আগামী বছর ঠিক এপ্রিল মাসের মধ্যে দিয়ে দেবেন। আগামী বছর এই সময় আপনারা প্রাক্তন হবেন এবং অনেকেই জেলে থাকবেন।'