কলকাতা : আজ বিকেল ৫.৩০টার সময় প্রোটেম স্পিকার হিসাবে লোকভবনে শপথ নেবেন তাপস রায়। বিধানসভায় বিরোধীদের কথা বলতে বাধা দেওয়া হবে না, যেটা গত ১৫ বছরে হয়নি। দাবি তাপস রায়ের। বিধানসভা নির্বাচনে মানিকতলা কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছেন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তাপস রায়।

Continues below advertisement

প্রোটেম স্পিকার হিসাবে নতুন বিধানসভার নবনির্বাচিত বিধায়কদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন তিনি।  নতুন স্পিকার নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত বিধানসভার কার্যক্রম পরিচালনা করবেন তিনি। জানা দিয়েছে, তাঁকে সহায়তা করবেন শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ এবং সিউড়ির বিধায়ক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। এরপর স্পিকার নির্বাচন হতে পারে আগামী ১৫ মে ২০২৬ তারিখে। সেদিন স্থায়ী অধ্যক্ষ বা স্পিকার নির্বাচন হতে পারে।  

দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা , কেরিয়ারের কার্যত মধ্যগগনে শিবির বদলেছেন। তৃণমূল ছেড়ে এখন তিনি বিজেপিতে। মানিকতলা কেন্দ্রে এবার সেই অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ তাপস রায়কেই প্রার্থী করেছে বিজেপি। তাও আবার এককালের রাজনৈতিক সতীর্থ সাধন পাণ্ডের কন্যা শ্রেয়া পাণ্ডের বিরুদ্ধে। প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর থেকেই প্রচারে ঝোড়ো ব্যাটিং চালিয়েছিলেনমানিকতলার বিজেপি প্রার্থী তাপস রায়। তারপর জয়ও পেয়েছেন বিরাট ব্যবধানে। এবার বিজেপি সরকারের অন্যতম প্রবীণ রাজনীতিক তিনি। 

Continues below advertisement

এর আগে সোমবার রাজ্যে বিজেপি সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকের পরেই নতুন মন্ত্রীদের দফতর বণ্টন করে দেওয়া হয় সোমবার । শনিবার শপথ নেওয়া ৫ জন মন্ত্রীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে নির্দিষ্ট দফতর।  দিলীপ ঘোষকে পঞ্চায়েত দফতরের পাশাপাশি প্রাণী সম্পদ উন্নয়ন এবং কৃষি বিপণন দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। গ্রামীণ প্রশাসন ও কৃষি সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলির দায়িত্ব একসঙ্গে তুলে দেওয়া হয়েছে তাঁর হাতে।

বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পাল পেয়েছেন নারী ও শিশু কল্যাণ দফতরের দায়িত্ব। এর পাশাপাশি পুরসভা ও নগরোন্নয়ন সংক্রান্ত দায়িত্বও সামলাবেন তিনি। শহর ও মহিলা উন্নয়ন— দুই গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রেই তাঁকে দায়িত্ব দেওয়ায় রাজনৈতিক মহলে তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা দেখছেন অনেকে।

খাদ্য দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অশোক কীর্তনিয়াকে। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতরের পাশাপাশি ক্রীড়া দফতরের দায়িত্ব পেয়েছেন নিশীথ প্রামাণিক। আদিবাসী উন্নয়ন দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ক্ষুদিরাম টুডুকে। এদিকে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিজেপির জয়ী বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকও করেন।