কলকাতা:  রাজগঞ্জের অপসারিত BDO প্রশান্ত বর্মনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। নিউটাউনে এক পথচারীকে ধাক্কা মেরে পালানোর চেষ্টা করেও শেষ রক্ষা হয়নি। শেষ অবধি তাঁকে পাকড়াও করা হয়। রাজ্যে পালাবদলের পর এমনিতেই একের পর এক দুর্নীতির পর্দাফাঁস হচ্ছে। অপরাধ দমনে জেলায় জেলায় চলছে গ্রেফতার। আর প্রশান্ত বর্মনের ইস্যু উঠতেই, শিক্ষা দুর্নীতি নিয়ে সরব হলেন বিজেপি বিধায়ক তাপস রায়

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বড় ঘোষণা রাজ্য সরকারের, ফর্মপ্রকাশ কবে ?

Continues below advertisement

বিজেপি বিধায়ক তাপস রায় বলেন, এরা সব ডব্লুবিসিএস অফিসার, পিএসসি-তে যা হয়েছে না ! সব বলব, বিধানসভায় বলব। এবং কত ডব্লুবিসিএস অফিসার যে রয়েছে, যারা পাশ করেনি, যোগ্য নয়। যে নম্বর পাওয়া উচিত, সেই নম্বর পায়নি, তা সত্ত্বেও তাঁদের…কী চেয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা তৃণমূল সরকার কী চেয়েছিল ?

প্রশ্ন: যে বিডিও-কে পুলিশ খুঁজে পাচ্ছে না, সেই বিডিও দিব্যি মদ খেয়ে গাড়ি চালাচ্ছে…

বিজেপি বিধায়ক তাপস রায় : নানা, সেতো শেখ শাজাহানকেও লুকিয়ে রেখেছিলেন ৫৬ দিন। এই সুপ্রতিম সরকার, রাজীব কুমার এরা, মমতার নির্দেশে। তো সেই রকমই। তো এবার আর লুকনো যাবে না।

প্রসঙ্গত, বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালিয়ে পথচারীকে ধাক্কা মারার অভিযোগ। গ্রেফতার করা হয় রাজগঞ্জের অপসারিত BDO প্রশান্ত বর্মনকে। এই প্রশান্ত বর্মনই দত্তাবাদে স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যাকে অপহরণ ও খুনে মূল অভিযুক্ত।  প্রথমে বেপরোয়া গতিতে র‍্যাশ ড্রাইভিং। পথচারীকে ধাক্কা মেরে পালানোর চেষ্টা। তারপর ফিল্মি কায়দায় ঘাতক গাড়িকে ধাওয়া করে প্রত্যক্ষদর্শী এক স্কুটি চালকের আটকে দেওয়া। সোমবার রাতে এমনই ঘটনা ঘটল ইকো পার্ক থানার নিউটাউনে। গোটা ঘটনায় নাটকীয় মোড় নিল গাড়ির চালকের পরিচয় সামনে আসার পর। প্রত্যক্ষদর্শীর দাবি, এই অপসারিত BDO প্রশান্ত বর্মনই সোমবার রাত ১০টা নাগাদ, নিউটাউনে একটি গাড়ি নিয়ে দ্রুত গতিতে যাচ্ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীর দাবি, টাল সামলাতে না পেরে গাড়িটি একজন পথচারীকে ধাক্কা মারে। রাস্তার একদিকে ছিটকে পড়ে যান তিনি। তারপরই সকুটিচালক এক প্রত্যক্ষদর্শী গাড়িটিকে ধাওয়া করে আটকে দেন।  প্রত্যক্ষদর্শী শাকিল আহমেদ বলেন, 'এত পরিমাণে ড্রিঙ্ক করেছে যে গাড়ির কন্ট্রোল নেই ওঁর হাতে। উনি বেরিয়ে চলে যাচ্ছিলেন। উনি ধাক্কা মারার পরেও, বুঝতে পারছেন যে ধাক্কা মেরেছেন, তারপরও উনি বেরিয়ে চলে যাচ্ছিলেন। আমি ছুটে এসে ওঁর সামনে স্কুটি লাগিয়েছি, ওঁকে আটকেছি, পুলিশ ডেকেছি। '