অন্ডাল: তোলাবাজির অভিযোগে অন্ডালে বিজেপির দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ। DVC-তে উত্তেজনা, পরিস্থিতি সামাল দিতে লাঠিচার্জ করল পুলিশ। দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বচসা থেকে হাতাহাতি। পালাবদলের পর তৃণমূলের লোকেরা বিজেপিতে গিয়ে তোলবাজি করছে, অভিযোগ একপক্ষের। এলাকায় অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা, পাল্টা দাবি অপর গোষ্ঠীর।
এলাকার বিজেপি কর্মীর সোনালি ধারার অভিযোগ, 'টিএমসি (TMC)-র আমল থেকে একটা তোলাবাজি সিন্ডিকেট চলছিল। যেহেতু আমাদের বিজেপি সরকার আসার পর সিন্ডিকেট রাজ বন্ধ হয়ে গেছে, কিন্তু টিএমসি রাজত্ব তো বন্ধ হয়নি, তারা ৪ তারিখের পর থেকে বিজেপিতে এসে এখানে তোলাবাজি সিন্ডিকেট চালিয়ে যাচ্ছে এবং আমাদের ভারতীয় জনতা পার্টিকে বদনাম করে যাচ্ছে।'
আরও পড়ুন:- তোলা চেয়ে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ, নিমতায় বিজেপির যুব নেতার বিরুদ্ধে দায়ের এফআইআর
বিজেপির জেলা কমিটির সদস্য রবীন্দ্রনাথ রায়ের দাবি, 'ভারতীয় জনতা পার্টি ক্ষমতায় আসার পর তৃণমূল টুকরে-টুকরে গ্যাংয়ে পরিণত হয়েছে। কিন্তু তারা কেউ বিজেপি নয়। তারা চায় যাতে বিজেপি ক্ষমতায় আসতে না পারে। বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় এসেছে, সেই ক্ষমতা আবার তৃণমূল নেতাদের হাতে দিয়ে দিতে হবে, এটাই তারা চায়। তাছাড়া, আজ দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে যে দুর্নীতি চলেছে, সেই দুর্নীতি প্রকাশ পেয়ে যাবে। প্রত্যেক গ্রামে, শুধু অন্ডাল নয়, শুধু ডিভিসি (DVC) নয়, সারা পশ্চিমবঙ্গ জুড়েই বিজেপির টুকরে-টুকরে গ্যাং করে দিয়েছি। কিন্তু এদের মধ্যে কেউই বিজেপি নয়।'
তবে অন্ডালের DVC সুপারভাইজার রাহুল ঘড়ুইয়ের অবশ্য বক্তব্য, 'যে টাকাগুলোর কথা বলা হচ্ছে, সেই টাকাগুলো আমাদের কোম্পানি ও আমাদের সুপারভিশনে তোলা হয়। এখানে সমস্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে গাড়ি আনলোডিং করার। গাড়ির মালিক ও টেন্ডার দেওয়া কোম্পানির তরফ থেকে আমাদের অথরাইজেশন (অনুমোদন) দেওয়া হয়েছে, তার পরেই আমরা গাড়ি খালি করি। এখানে টাকা তোলার যে বিষয়, কোম্পানির থেকে তো আমরা সরাসরি কোনো পেমেন্ট পাই না। আমরা যে টাকা তুলি, তা কোম্পানির লোকেরা পুরোপুরি জানে। তারা জানে যে ৬০০ টাকা বা ১০০০ টাকা রেট। আমকে যারা কাজ দিয়েছে, এসএস সুন্দর অ্যান্ড কোম্পানি'-র মালিক ঋতম জহার, সে সবটা জানেন।'
